ধন্যবাদ অমিতাভ রেজা, ধন্যবাদ সবাইকে

আজকে একটি অসাধারণ ইভেন্ট বাস্তবায়নে যারা গত কয়েকদিনে অনেক কষ্ট করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা!

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট সাগর বড়ুয়াকে শুভেচ্ছা একটি সুন্দর ইভেন্ট আয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়ায়। বিডিএসএফ, ঢাবির সাধারণ সম্পাদক রওনক জাহানকেও অভিনন্দন পরীক্ষার মধ্যেও প্রোগ্রামটি বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাওয়ায়। রুহুল আমিন দীপু সবসময় বেশি কাজ করে এবং বেশি বকা খায়। তারপরও সে কাজ করে যায়। এরকম কর্মযোগী হও-সেই আশীর্বাদ রইলো।

আর রাজিদুলের কথা কি বলবো। বেশি ভালোবাসি বলে বেশি কাজের চাপটি পড়ে রাজিদুলের উপর! রাজিদুলও সবসময় হাসিমুখে সব করে ফেলে। রাজিদুলকে ভালোবাসা!

মাহফুজা, আঁখি, তানজিরকে ধন্যবাদ। আরও ধন্যবাদ শাহরিয়ার, নূশরাত, শ্রাবণ, সূজন খান, জহির রায়হানকে।

এনামুল হক অপুকে সবসময়ের জন্য ভালোবাসা। এই ব্যস্ত ফটোগ্রাফার আজকে সময় বের করে আমাদেরকে ধন্য করেছেন। এজন্য কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

আর হিমেলের কথা কি বলবো। ভাই আমার একাই একশো! ভিডিও-ফটোগ্রাফি-এডিটিং সব একাই সামলায়। হিমেলের উপর চোখ বুঝে নির্ভর করা যায়-এমন এক নির্ভরশীল ব্যক্তি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা হিমেলকে!

আপনারা সবাই মিলে একটি সফল ইভেন্ট বাস্তবায়ন করার জন্য আপনাদের অভিনন্দন! একসাথে, আন্তরিকতা ও শৃঙ্খলার সাথে কাজ করলে যে অসাধারণ কিছু করা যায় আশা করি আমরা আজকে টের পেয়েছি। ভবিষ্যতে আমরা এরকম সুন্দর সুন্দর ঘটনা উপহার দেবো, নিজেদের সমৃদ্ধ করবো এই আশা রইলো! আপনাদের সবাইকে স্বাগতম একটি অসাধারণ বাংলাদেশ নির্মাণের এই জ্ঞানের আন্দোলনে!

sitting

অমিতাভ রেজাকে অশেষ ধন্যবাদ ও অফুরান ভালোবাসা। নির্দিষ্ট সময়ের আঁধা ঘন্টারও আগে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্য। বড় মানুষদের এই বড় গুণ মুগ্ধ করার মতো এবং শিক্ষণীয়ও বটে!

আজকে প্রাণ খুলে দেড় ঘন্টা কথা বলেছেন অমিতাভ রেজা। তার শৈশব, বেড়ে উঠা, পঠন পাঠন, রাজনীতি সচেতনতা, সমাজ ও রাষ্ট্রভাবনা উঠে এসেছে আড্ডায়। সত্যজিৎ রায়, ঋত্ত্বিক ঘটক ও মৃণাল সেন কিভাবে তাকে প্রভাবিত করেছে তার বর্ণনা করেছেন। বিশেষ করে ঋত্ত্বিক ঘটক কিভাবে তার অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে, তার সাথে কিভাবে নিয়মিত আড্ডায় মজেন, অন্তরাত্মার সম্পর্ক স্থাপন করেন তার স্যুরিয়ালিস্টিক ছবিটি কথার বুরুশে এঁকে দেখান!

bruce-lee

বাংলাদেশ ও ফিল্ম নিয়ে তার স্বপ্ন ও আকাঙ্খা আমাদেরকে আশাণ্বিত করেছে, উৎসাহিত করেছে। আমরা নিশ্চিতভাবে অনেক অনুপ্রেরণার মসলা নিয়ে বের হয়েছি অডিটোরিয়াম থেকে সেটা বলাই বাহুল্য! ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অমিতাভ রেজার প্রতি।

ব্যক্তিগতভাবে এটা ছিল একটি সম্মানের ইভেন্ট আমার জন্য। অমিতাভ রেজার মতো দেশসেরা পরিচালককে সবার সামনে উপস্থাপন করে দেওয়া এবং আড্ডা শুরু করে দেওয়া আমার স্মৃতিতে একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা হিসেবে সুরক্ষিত থাকবে! বিস্মিত হয়েছি, আনন্দিত হয়েছি যখন শুনলাম অমিতাভ রেজা মধুর ক্যান্টিনে (সেশন শুরুর আগে) বিডিএসএফ ভলান্টিয়ারদের সাথে চা-পানের সময় রকমারিতে আমার বইয়ের অর্ডার দিয়ে দেন! আড্ডায় কে একজন আমার ‘ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস’ বইটির প্রসঙ্গ এনেছিল এবং তিনি সে বর্ণনা শুনে নিজের স্মার্টফোন দিয়ে রকমারিতে বইটি অর্ডার করে দেন! সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি!

s-i-good

এরকম ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক আনন্দ উপহার দেওয়ার জন্য অমিতাভ রেজাকে ধন্যবাদ। আশা করি ভবিষ্যতে এরকম অসাধারণ অভিজ্ঞতা নিয়মিত হবে সেই আশা রইলো অমিতাভ রেজার কাছে।

si-amitabh

ইভেন্টটি বাস্তবায়নে যারা বিভিন্নভাবে ছোট-বড় হেল্প করেছেন সবার জন্যই অনেকগুলো বড় বড় ধন্যবাদ, ধন্যবাদ! ভালোবাসা সবার জন্য!

ক্যাম্পাস ডায়রী

২০ ডিসেম্বর, ২০১৬

 

Related Posts

About The Author

Add Comment