পড়ায় মনোযোগ না বসা এবং পড়ার বিবিধ টেকনিক প্রসঙ্গ

বেশিরভাগ ছেলে-মেয়ের কাছ থেকে এমন একটা আওয়াজ আসে পড়াশুনায় যে মনোযোগ বসে না। স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে সব বাবা-মায়ের এক বিশাল দুর্ভাবনার বিষয় তাদের ছেলে-মেয়েরা পড়াশুনায় মনোযোগী নয়, বেশিক্ষণ পড়ার টেবিলে বসে থাকতে পারে না।

ব্যাপারটা নিয়ে একটু মাথা ঘামাতে চাই। আর কিছু পরামর্শ রাখতে চাই। আপনার পছন্দ বা প্রয়োজন হলে গ্রহণ করতে পারেন।

মনোযোগ দিতে পারা একটি শারীরিক সক্ষমতা:

running

শরীর সক্ষম না হলে আসলে বেশিরভাগ কাজই করা যায় না। কেউ যদি মনোযোগ সহকারে কাজ করতে না পারে দেখতে হবে শারীরিক কোন সমস্যা এখানে কাজ করছে কি না। শিশুদেরকে ছোটবেলা থেকেই খেলাধূলা, সাতার কাটা, ভ্রমণ করা ইত্যাদির মাধ্যমে শারীরিকভাবে সক্ষম রাখতে হবে। আজকাল অনেক মা-বাবা ছেলেদের ভালো রেজাল্ট, জিপিএ ফাইভ চান কিন্তু তাদের ছেলে-মেয়েদের শারীরিক ক্ষমতার দিকে মনোযোগ দেন না। তাই প্রথমেই বলবো ছেলে-মেয়েদেরকে প্রতিদিন ঘন্টাখানেক শারীরিক পরিশ্রম করা বা দৌড়াদৌড়ি করা  বা খেলতে দিবেন। আর যারা বয়স্ক তারা ঘন্টাখানেক দ্রুত হাঁটবেন। দৌড়াতে পারলে তো বেশ ভালো হয়।

পছন্দের কাজে মানুষ মনোযোগী থাকে বেশি:

The real pleasure in life

The real pleasure in life

মানুষ যে জিনিসটা পছন্দ করে সেখানে মনোযোগ দিতে পারে শতভাগ। আড়াই হাজার বছর আগে চীনা পণ্ডিত লাও জু বলেছিলেন-‘তুমি যদি তোমার পছন্দের কাজ করো তখন সেটা তোমার কাছে চাকুরী মনে হবে না।’ কথাটা কত সহজ এবং কতই না সত্য! বড়দের অনেকেই নিজেদের অপছন্দের কাজ করে ভয়ানক কষ্টের জীবন-যাপন করছে আবার ছোটদের উপর তাদের অপছন্দের কাজ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মা-বা বা বড়দের দায়িত্ব তারা যেন ছোটদের ভালো কিছু স্বভাব তৈরি হতে সহায়তা করেন। ছোটবেলা থেকেই পরিকল্পনা করে যদি বইয়ের সাথে ছোটদের সম্পর্ক করিয়ে দেওয়া হয়, বিভিন্ন বই পড়াকে উৎসাহিত করা হয় তাহলে এমনিতেই পড়ার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়ে যাবে। আর একবার তৈরি হয়ে গেলে তো হলোই!

অতিরিক্ত টিভি, সিনেমা, কার্টুন কল্পনাশক্তির জন্য ক্ষতিকর:

tv addict.kid

অনেকের বাসাতেই দেখা যায় সকাল বেলা টেলিভিশন অন হয় আর মধ্যরাতে অফ হয়। এটা খুবই ভয়ানক এবং ধ্বংসাত্মক অভ্যাস। শৈশব হচ্ছে স্বভাব গড়ে উঠার শ্রেষ্ঠ সময়। সে সময়টা যদি শুধু টিভি দেখে কাটিয়ে দেওয়া হয় তাহলে সেটা তাদের জন্য ভয়ানক পরিণতি নিয়ে আসবে। শিশুদের সৃজনশীলতা, কল্পনাশক্তির ব্যবহার একেবারেই কমে যায়। আর খেলাধূলা ও শারীরিক পরিশ্রমের প্রতি অনীহা তৈরি হয় আর শহুরে ছেলে-মেয়েদের জন্য অধিক মোটা হয়ে যাওয়া আরেকটি ভয়াবহ শারীরিক সমস্যা। টিভি, সিনেমা বা কার্টুন দেখতে দিতে হবে এর অনেক উপকারিতা আছে। কিন্তু সময় তো ধরে দিতে হবে। বিরতিহীন টিভি-কার্টুন দেখা এটা কোন ভালো স্বভাব হতে পারে না। এখন অনেক মা-বাবা নিম্নমানের সিরিয়াল দেখার সময় বাচ্চাদেরও পাশে রাখে। ভালো কিছু শেখার আগে বাঁজে অনেক জিনিসই শিখে ফেলে। বড়দেরকেও নিয়ন্ত্রিত টিভি-সিনেমা দেখা উচিত। নিজে না মেনে ছোটদেরকে উপদেশ দিলে বেশি কাজ হবে না। টিভি দেখা, কার্টুন দেখার একটি নির্দিষ্ট সময় দিতে হবে বা শুধু নির্দিষ্ট একটি বা দুটি প্রোগ্রাম দেখতে দেওয়া যেতে পারে। শুধু টিভি দেখাতেই অভ্যস্ত না করে ভালো ভালো বইয়ের দোকানে নিয়ে যাওয়া, বই কিনে দেওয়া, পড়াতে উৎসাহিত করা যেতে পারে।

Television-Addiction

গল্প দিয়ে শুরু:

Kids reading book together

বেশিরভাগ পাঠকই তার পাঠকজীবন শুরু করেন বিভিন্ন গল্প পড়ার মাধ্যমে। অনেকে স্কুল-কলেজ পার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেও এটা ধরে রাখেন। ছোটবেলায় ভালো লেখকদের সেরা গল্প পড়ার সুযোগ করে দিতে পারেন বাবা-মা ও অভিভাবকেরা। রূপকথা, উপকথা, ভূতুরে গল্প, কমিকস্, থ্রিলার শেষ করে ক্লাসিক গল্পও পড়তে হবে। তাহলে পরিচিতির দুনিয়া বাড়বে এবং লেখালেখির অন্যান্য জায়গাতেও ঢু মারা যাবে।

ইতিহাস পড়তে হবে:

history-books

ইতিহাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দেশ বা জাতির ইতিহাস জানার সাথে সাথে মানবসভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, বিসর্জন, উল্লম্ফন জানার জন্য ইতিহাসের কাছে যেতেই হবে। বিভিন্ন সভ্যতার ইতিহাস পড়লে অন্যদের সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়বে।

সাহিত্য অবশ্য পাঠ্য:

LiteratureCollage4

সাহিত্য সর্বযুগে গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্য আমাদের কল্পনাশক্তির বিকাশে বড় ভূমিকা পালন করে, এটা আমাদের ভাষার প্রকাশভঙ্গি উন্নত করতে সাহায্য করে। মাতৃভাষায় রচিত সেরা সাহিত্যের সাথে ধীরে ধীরে পরিচিতি বাড়াতে হবে। তারপর অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য সমৃদ্ধ ভাষা বা জাতির সাহিত্যের সাথে পরিচিত হতে হবে। ইংরেজি বা অন্য ভাষায় সে ভাষার সেরা কর্মগুলো পড়তে পারার সক্ষমতা অর্জন করতে পারলে তো সোনায় সোহাগা।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দুনিয়ার সাথে থাকতে হবে আত্মীয়তা:

techbuff

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি থেকে দূরে থেকে নয় বরং আত্মীয়তার মাধ্যমেই আমরা আগাতে পারবো। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি মুহূর্তে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপর কোন না কোনভাবে নির্ভরশীল হয়ে গিয়েছি। এজন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দুনিয়ার সর্বশেষ খবর জানা উপকারী বৈকি। আর নূন্যতম প্রযুক্তির জ্ঞান এখন জীবন যাপনের অনিবার্য অংশ হয়ে দাড়িয়েছে।

পড়ার সময়-অসময়:

reading time

যারা পেশাদার পাঠক তাদের পড়ার সময়-অসময় নেই। যেকোন সময়, যেকোন জায়গায় তারা পড়তে পারে। যারা পড়ার জন্য সংগ্রাম করতে হয়, যাদের পড়ার জন্য সময় বরাদ্ধ কম তারা একটি নির্দিষ্ট সময় করে পড়তে পারেন। দিন বা রাতের ওই নির্দিষ্ট সময়টাতে একটানা কয়েক ঘন্টা পড়ার অভ্যাস করতে পারলে ভালো হয়। অথবা দিনের কয়েকটি ভাগে সময় করে অল্প অল্প পড়া যেতে পারে। নিয়মিত দু’ঘন্টা করে পড়লেও অনেক পড়া যায় এবং এ অভ্যাসটা অনেক উপকার দিবে। আর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পড়ার শ্রেষ্ঠ সময় সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত। অনেকে সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্তও মনোযোগ সহকারে পড়তে পারে। তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পড়ার অভ্যাস করতে পারা ছাত্র-ছাত্রী বা বড়দের জন্য উত্তম একটি অভ্যাস বৈকি।

পড়ার জায়গাটা কেমন হবে:

reading_place_by_razfish

যে নির্দিষ্ট সময়টাতে আপনি পড়তে চান সে সময়টাতে টিভি চালু রাখা, গান বাজানো, এফএম চালু রাখা বাঁজে অভ্যাস। এটা আপনার মনোযোগ নষ্ট করে এবং পঠিত বিষয় তেমন মনেও থাকে না। পড়ার জায়গাটা ঘরের কোণায়, একটু নিরিবিলি হলে ভালো হয়। এবং বাসার অন্যদেরকে যদি বলে রাখা যায় পড়ার সময়টাতে ডিস্টার্ব না করার জন্য তাহলে আরও ভালো। এগুলো সম্ভব না হলেও আপনি অভ্যাস করতে পারলে যেকোন জায়গাতেই পড়তে পারবেন। পড়ার টেবিল ও টেবিলের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ঘুছিয়ে রাখা একটি ভালো স্বভাব এবং এটা পড়ায় মনোযোগ আনতে সাহায্য করে। কোথাও বসে পড়তে হবে। প্রায় সব পাঠকই বিছানায় শুয়েও পড়েন। তবে এটা সবসময় হলে শরীর ও মনের জন্য ক্ষতিকর। কোমড় সোজা রেখে পড়া একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

reading in bed

পড়া শুরু হলে আর ঘন্টাখানেকের মধ্যে উঠা নয়:

readTime_med

অনেকে পড়া শুরু করে আবার পাঁচ-দশ মিনিট পড়েই উঠে যায়, কোন বই পড়া শুরু করে পৃষ্ঠা-দুয়েক পড়ে বন্ধ করে দেয়। তখন অজুহাত দেয় পড়তে ইচ্ছে করে না, মনে থাকে না। পড়তে বসার আগে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে আসুন। যেমন খাতা-কলম নিয়ে বসা, পাশে পানির বোতল রাখা ইত্যাদি। আর বাসায় যদি কিছু জরুরী কাজ করার থাকে তা আগে শেষ করে বসতে পারেন। আর এখন মনোযোগ নষ্ট করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হচ্ছে মোবাইল ফোন ও ফেসবুক। মনোযোগ দিয়ে পড়তে চাইলে সে সময়টাতে ঘন্টাখানেক মোবাইল বন্ধ বা সাইলেন্ট করে রাখা অনেক কাজে দিতে পারে। কতক্ষণ পরপর ফেসবুকে চলে গেলে তো আর মনোযোগ থাকবে না। দিন-রাতের একটা নির্দিষ্ট সময় শুধু পড়ার জন্যই বরাদ্ধ রাখা উচিত। সে সময়টাতে নয় কোন ফোনকল নয় কোন ফেসবুক চেক ইন। মনোবিজ্ঞানে বলা হয় সাধারণত মানুষ একটানা পঁচিশ মিনিট গভীর মনোযোগ সহকারে কোন একটা কাজ করতে পারে। এরপর ৩-৫ মিনিটের একটা ছোট বিরতি নিয়ে আবার শুরু করে আরও পঁচিশ মিনিট পড়া যেতে পারে। প্রথমদিকে পঁচিশ মিনিট করে একটানা পড়ার অভ্যাস করার পর একটানা একঘন্টা, দু’ঘন্টা বা তিন ঘন্টা পর্যন্ত পড়া যায়। তারপর ছোট্ট বিরতি বা হালকা নাস্তার পর আবার শুরু করা যায়। নিজের প্রয়োজনমত অভ্যাস করে নিতে পারেন। আপনি যদি পড়াশুনায় আনন্দ পান তখন দিনে আট-দশ ঘন্টা পড়া কঠিন কিছু মনে হবে না।

ক্লাসিক পড়ুন:

classic

নিয়মিত পড়ায় অভ্যস্ত হওয়ার পর বিশ্বসেরা বইগুলো থেকে পড়া শুরু করে দিন। জীবন অনেক ছোট। লাখখানেক বই তো আর পড়া যাবে না বা তা করার দরকারই নাই। বিশটি ক্লাসিক বই পড়ে শেষ করা ও বুঝতে পারা বিশ হাজার বই পড়ার চেয়েও কাজে দিতে পারে। এখন ক্লাসিক বই কোনগুলো সেটা জানা খুব সহজ। ইন্টারনেট ঘেটেও জেনে নেওয়া যায় বিভিন্ন ক্লাসিক বইয়ের নামধাম। তাছাড়া একটি বই থেকেও আরও কয়েকটি সেরা বইয়ের নাম পাওয়া যায়।

পাঠকদের আড্ডায় অংশ নিন:

2

মানুষ তার নিজের পছন্দের কাজের সাথে জড়িতদেরকে ভালোবাসে। একজন ধূমপায়ী বা মাদকাসক্ত ব্যক্তিও অন্য ধূমপায়ী বা মাদকাসক্তের সাথে বন্ধুত্ব পাতে। আপনি একজন নিয়মিত পাঠক, কেন অন্য এমন পাঠকদের সাথে মিশবেন না? এটা দুপক্ষের জন্যই লাভজনক। একে অন্যকে সহায়তা করে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া যায়। পাঠকদের আড্ডায় বিভিন্ন বই নিয়ে আলাপ হয়, বিভিন্ন বইয়ের খোজ-খবর পাওয়া যায়। এজন্য সেরকম আড্ডায় যোগ দেওয়া উচিত। আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা এলাকাতে সেরকম মানুষদের খুঁজে বের করুন, পেয়ে যাবেন। কোন উদ্যোগ না থাকলে কয়েকজন মিলে শুরু করে দিন। পাঠকরা অন্তর্মুখী হয় সেটা জানা কথা কিন্তু প্রয়োজনে নিজেদেরকে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসতে হবে। দেয়া-নেয়া করুন নিজেদের সাথে। এতে লাভ শুধু দ্বি-পাক্ষিকই নয় বরং বহুপাক্ষিক। পাঠকদের এই সম্মিলন থেকেই বের হয়ে যেতে পারে ভবিষ্যতের চিন্তক, ভাবুক, লেখক, সমাজতাত্ত্বিক, গবেষক, শিক্ষক।

রিভিয়্যু লিখুন:

review

যখন পড়াশুনায় মোটামুটি নিয়মিত হবেন তখন রিভিয়্যু লেখার কাজ শুরু করবেন। একটা বই পড়ে সেটা থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে হলে তার উপর রিভিয়্যু লেখা সবচেয়ে উত্তম কাজ। রিভিয়্যু লিখার বিভিন্ন কৌশল আছে। নিয়মিত পড়ায় অভ্যস্ত হওয়ার পর যখন সেটা করার আগ্রহ অনুভব করবেন তখন রিভিয়্যু লেখার প্রয়োজনীয় কৌশলগুলো শিখে নেবেন।

নিয়মিত পড়ুন:

FunnyFace

যারা পড়া থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে চান তারা কম করে হলেও নিয়মিত পড়ার অভ্যাস করতে হবে। যদি দীর্ঘ বিরতি নেন সেক্ষেত্রে আবার পুরনো গতিতে ফিরে আসতে কষ্ট হতে পারে। অবশ্যই পড়াকে উপভোগ করতে হবে। উপভোগ্য না হলে ইচ্ছে করলেও করতে পারবেন না। বিভিন্ন ঐতিহাসিক জায়গা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জায়গায় ঘুরে আসাও আপনাকে পড়ার প্রতি উৎসাহিত, জানতে আগ্রহী করে তুলবে। এজন্য সময়-সুযোগে বেড়িয়ে আসতে পারেন সেরকম জায়গাগুলোতে।

man-reading

আশা করি এই পরামর্শগুলো মেনে চললে আপনি একজন নিয়মিত পাঠক হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করে তুলতে পারবেন। আর নিয়মিত পড়ার অভ্যাস অনেক উপকারী আপনি যে অবস্থানেই থাকুন না কেন। অভ্যাস করেই দেখুন-পরিবর্তনটা আপনিই টের পাবেন।

সুখবর! সুখবর!
সাবিদিন ইব্রাহিমের পাঠকনন্দিত প্রথম বই ‘ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস’ সংগ্রহ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন:

আদর্শ বই
২৩ কনকর্ড অ্যাম্পোরিয়াম, কাঁটাবন, ঢাকা-১২০৫
ফোন: 01710 779050)

২০১৭ বইমেলাতে প্রকাশিত হয়েছে সাবিদিন ইব্রাহিম এর অনুবাদে সান জু’র ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’। আড়াই হাজার বছর পুরনো এই ক্লাসিক বইটি পড়তে চাইলে যোগাযোগ করুন:

ঐতিহ্যের বাংলাবাজার ও কাটাবন বিক্রয়কেন্দ্র ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অভিজাত বই বিক্রয়কেন্দ্রে।
সরাসরি ঐতিহ্য থেকে ডেলিভারি পেতে ঐতিহ্যের ফেইসবুক পেজ www.facebook.com/oitijjhya এ অর্ডার করুন বা ফোন করুন – ০১৮১৯২৮৪২৮৫

রকমারিতে তো পাচ্ছেনই! রকমারিতে অর্ডার করুন, বই পৌছে যাবে আপনার ঠিকানায়!
রকমারি লিংক: www.rokomari.com/book/author/40494/সাবিদিন-ইব্রাহিম
আর রূপান্তরও রয়েছে আপনার পাশে। ফোনে অর্ডার দিন, বই পৌছে যাবে আপনার হাতে।

সাবিদিন ইব্রাহিম

১১ মে, ২০১৬

১৭৬ ফকিরের পুল, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০

Related Posts

About The Author

Add Comment