বিডিএসএফ ওয়েবে লিখুন, ইতিবাচক পরিবর্তনে অংশ নিন

আমরা বারবার বলি, ভবিষ্যতেও বলবো-বিডিএসএফ একটি জ্ঞানভিত্তিক সংগঠন। জ্ঞানচর্চা, জ্ঞানপ্রকাশ ও প্রসার ছাড়া-স্রেফ কোন সাংগঠনিকতা বা একটিভিজম নেই। প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড হচ্ছে জ্ঞানচর্চা।

আমাদের অধীত জ্ঞান প্রকাশের তিনটি উপায়; বলা, লেখা ও করা। আমাদের নিয়মিত আড্ডা ও পাবলিক লেকচারগুলোতে প্রথমটি সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয়টি আমরা নিয়মিত লেখার মাধ্যমে করতে পারি; সেজন্য রয়েছে ফেসবুক গ্রুপ, পেজ ও ওয়েবসাইট। আর আপনার জ্ঞানের সর্বোত্তম প্রকাশ ঘটবে আপনি যখন কিছু করতে পারবেন। আপনার অধীত ও চর্চিত জ্ঞান দিয়ে চলমান বা আসন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

বিডিএসএফ এই তিনটি কাজই একসাথে করতে চায়। বিডিএসএফ এর আদর্শ সদস্য হওয়া মানে যারা এই কাজগুলো নিয়মিত করে যাওয়া। বিডিএসএফ শুধু সৌখিন বিদ্যাচর্চার প্লাটফর্ম নয়। আমাদের বিদ্যাচর্চার সাথে সাথে জাতীয়, মানবিক ও সময়ের দায় নিতে হবে তবেই জ্ঞানচর্চা অর্থবহ হবে।

আপনার জ্ঞানচর্চার স্মারক সেরা লেখাগুলো পাঠিয়ে দিন আমাদের ওয়েবসাইটে। প্রতি মাসে সর্বাধিক পঠিত ও গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলোর জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার-মহামূল্যবান বই!

লেখা পাঠান: [email protected] এ। এছাড়া বিডিএসএফ এর ফেসবুক পেজেও ইনবক্স করতে পারেন।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি আমাদেরকে অনেক দ্রুত কাজ করার পদ্ধতি শেখাচ্ছে, যোগাযোগের বন্ধনে আবদ্ধ করছে, তর্ক, বিতর্ক ও কুতর্কের সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদের সামনে বিশাল তথ্যের দুনিয়া উন্মুক্ত হয়েছে। কিন্তু এর থেকে ছেকে কিভাবে মণিমুক্তা খুঁজে বের করা যায় এটা সবাই জানেনা। এজন্য আমরা দেখি ফেসবুক-ব্লগে বাজে লেখার হিড়িক পড়ে যায়, সেখানে ভালো লেখা পাওয়া মরুভূমির ধূলাতে হীরক খুঁজে পাওয়ার মতো ব্যাপার।

ভালো-মন্দের মাঝখান থেকে ভালোটা গ্রহণ করার জন্য যে যোগ্যতা অর্জন করতে হয় তার জন্য প্রাচীন কাল থেকেই সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে বই। বইপাঠ বিমুখিতা এবং নোট বইয়ের প্রতি অতি নির্ভরতা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। কিন্তু জ্ঞানচর্চা, জ্ঞান সাধনা ও জ্ঞান উৎপাদনের জায়গাটা একেবারে ভয়ানক প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে। জ্ঞান উৎপাদনের ক্ষেত্রে দৈন্যদশার মাঝে যে গোটা সমাজ নিমজ্জিত এ কথা বলে যাবে কোন ধরণের লুকোছাপা না করেই। কিন্তু হতাশার এই ঘন অন্ধকারেও আশার প্রদীপ রয়েছেও অনেক। এই পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ছোট বড় উদ্যোগ থেমে থাকেনি। আমরাও এমন একটি উদ্যোগ।

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ) এই মূল সুতোটা ধরেই টান দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মূল দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। সিরিয়াস স্টাডি এবং জ্ঞান উৎপাদন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ সেটি নতুন করে উচ্চারণ করার দু:সাহস দেখাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল রাজনৈতিক আন্দোলন, দলীয় ক্যাডার ও কর্পোরেশনের শ্রমিক তৈরির কারখানা নয়। তার চেয়েও বড় দায়িত্ব রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের। জ্ঞান উৎপাদন এবং জ্ঞানের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেয়া। এটা হচ্ছে এই সময়ের সবচেয়ে বড় বিপ্লবী আহ্বান! স্টাডি ফোরাম এই নিরব বিপ্লবের একজন আহ্বায়ক!

 

Related Posts

About The Author

Add Comment