রবীন্দ্রজীবনকথা: সমুদ্র থেকে তুলিলাম এক ঘটি জল!

রবীন্দ্রনাথ নিয়ে অসংখ্য বই রচিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমার পড়া সবচেয়ে ভালো বইয়ের মধ্যে যে দুটি বই মনে গেঁথে আছে সেগুলো হচ্ছে বুদ্ধদেব বসুর ‘Tagore: Portrait of A Poet’ নীরদ সি চোধুরীর ‘আত্মঘাতী বাঙালী আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ’।।এছাড়া রবীন্দ্রনাথ  বিশ্বের বিরল লেখকদের একজন যিনি নিজের জীবন নিয়েও অসংখ্য কথা বলেছেন, অনেক কথা লিখে গেছেন। রবীন্দ্রনাথকে বুঝতে চাইলে, পাঠ করতে চাইলে তার নিজের লেখাও কম নয়।

রবীন্দ্রনাথের অসংখ্য জীবনীকারের মধ্যে প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি চার খণ্ডে ‘রবীন্দ্রজীবনী’তে রবীন্দ্রনাথকে তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। নিজে রবীন্দ্রনাথের আশ্রমে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন বলে তার পক্ষে বেশ ভালোই রবীন্দ্রনাথকে তুলে আনা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা যায়।

রবীন্দ্রনাথের জীবন নিয়ে বুদ্ধদেব বসু বলেছেন, ‘রবিপ্রতিভা সেই জাতের যার বৈশিষ্ট্য অবিরল বেড়ে উঠায়, অবিরল হয়ে উঠায়, যার তার বাঁধতে কিছু দেরি হয়, কিন্তু বাঁধা হয়ে গেলে আর থামে না।’

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় পাঠকদের কথা বিবেচনা করে ‘রবীন্দ্রজীবনকথা’ নামে মাত্র দুইশতাধিক পৃষ্ঠার একটি বই লিখেছেন। আজকে এ বইটি থেকেই কয়েকটি মজার তথ্য দেবো। এর বেশিরভাগই হয়তো জানা অনেকের কাছে আবার কিছু কিছু অজানাও থাকতে পারে। একসাথে চলেন উপভোগ করি কিছু তথ্য বা গল্পে।

দুঃখময় জীবন: ক্লেদজ কুসুম

রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বেশিরভাগ বাঙালীর চিন্তা হচ্ছে তিনি রূপার বা সোনার চামুচ নিয়ে জন্মেছেন এবং জীবনে অনেক সুখ ছিল সচ্ছলতা ছিল। রবীন্দ্রনাথের ‘ছেলেবেলা’তে শৈশবে পরিবার এবং নিজের জীবনের প্রাথমিক স্তর নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। সেখানে এ কথাটি নিশ্চিত হয় তিনি অনেক বিলাসের মধ্যে বড় হননি। আর সুখের কথা যদি বলতে হয় সেটা নিয়ে নিয়ে নীরদ সি চৌধুরীর একটা কথা প্রাণিধানযোগ্য।

“স্বজাতির আচরণ সম্বন্ধে তিনি যৌবন হতে বার্ধক্য পর্যন্ত যেসব উক্তি করিয়াছিলেন তাহা যেন পাগল মেহের আলির ‘তফাৎ যাও, তফাৎ যাও’ চিৎকারের মত। শেষ পর্যন্ত ক্ষুধিত পঙ্ক তাঁহার জীবনকে ক্লান্তিতে অবসন্ন করিয়া ফেলিয়াছিল, কিন্তু উহার অন্তর্নিহিত মহত্ত্ব ও সেই মহত্ত্বের সাহিত্যিক প্রকাশকে নষ্ট করিতে পারে নাই- তবু উহাকে জীবনব্যাপী দু:খের সহিত জড়িত করিয়া রাখিয়াছিল। সেজন্য এককালে আমি তাঁহার সাহিত্যসৃষ্টিকে ‘les fleurs du mal’ বলিতাম। এত মহান ও এত বহুমুখীন প্রতিভাবান ব্যক্তির এমন দু:খময় জীবনের কথা আমি কোনো দেশের সাহিত্যিক ইতিহাসে পড়ি নাই।”
(আত্মঘাতী বাঙালী ও আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ, শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী, পৃষ্ঠা:৫)

(এটা হয়তো আপনারা জানেন les fleurs du mal’এর বাংলা করলে দাড়ায় গোঁবরে পদ্মফুল বা ক্লেদজ কুসুম। ফরাসী কবি শার্ল বোদলেয়ারের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এটি।)

নীরদবাবু রবীন্দ্রনাথের জীবনে একটানা অনেকগুলো মৃত্যুর কথা তুলে ধরে তার যুক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বৌদি কাদম্বিরী দেবীর আত্মহত্যা থেকে শুরু করে নিজের বয়স চল্লিশে থাকাকালে স্ত্রীর মৃত্যু, অল্প দিনের ব্যবধানে দুই কণ্যার মৃত্যু এবং ছোট ছেলে শমীন্দ্রের মৃত্যু কবিকে অনেকটা মুষড়ে দিয়েছিল নিশ্চয়ই। এই কষ্ট সয়েও কবি কিভাবে নদীর মতো সচ্ছল থেকে সমুদ্র সন্ধান করেছেন সেটা নীরদের মতো আমাদেরও বিস্ময়ের ব্যাপার বৈকি।

প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘রবীন্দ্রজীবনকথা’তে আমরা সেই দুঃখ-কষ্ট, অর্জন-বিসর্জন, সম্মান-অপমানের চাদরে আবৃত রবীন্দ্রনাথকে পাবো।

অর্শ রোগের চিকিৎসাকাল:

এটা হয়তো অনেকে জানেন রবীন্দ্রনাথ কিন্তু তার ‘Song of Offerings’ এর জন্য নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি ইংরেজি ভাষায় লিখে নোবেল পুরষ্কার পান। এ পয়েন্ট টা এখানে তোলা যায় তিনি বাংলা সাহিত্যের জন্য নোবেল পুরষ্কার পাননি, ইংরেজিতে রচনা করেই পুরষ্কার পেয়েছেন!

এখানে আরেকটা মজার তথ্য হচ্ছে ১৯১২ সালে ইংল্যান্ডে যাওয়ার আরেকটা বড় উদ্দেশ্য ছিল অর্শ রোগের চিকিৎসা করানো। রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় অর্শ রোগে ভুগছিলেন। লেখক এ ঘটনার কথা এভাবে উল্লেখ করেন-‘আমরা রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক জীবনের কথাই বলছি, কিন্তু তিনি যে অর্শরোগে কষ্ট পাচ্ছেন সে কথাও ভুলি নি। এই রোগে কী যে যন্ত্রণা পেতেন তা আমাদের স্বচক্ষে দেখা, আর দেখেছি কী অসম্ভব ধৈর্য-সহকারে যন্ত্রণা সহ্য করতেন। জুন মাসে (১৯১৩) হাসপাতালে গিয়ে অস্ত্রোপাচার করালেন। সেখানে প্রায় এক মাস আবদ্ধ থাকতে হয়।’

(পৃষ্ঠা, ৮৭, রবীন্দ্রজীবনকথা, প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়)

প্রায় এক বছর চার মাসের প্রবাসকালে রবীন্দ্রনাথ যেমন নোবেল পুরষ্কার পেলেন এবং নিজের অর্শ রোগেরও চিকিৎসা করালেন!

হোমিওপ্যাথিক রবীন্দ্রনাথ: ‘কলকাতা সে ডাক্টর সাহাব আয়া’

‘রবীন্দ্রজীবনকথা’তে আরেকটা তথ্য বেশ অবাক করলো। যেটা আমি জানতাম না আর কি! কাহিনীটা হচ্ছে এমন। নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির বছর খানেক পড়ে রামগড় পাহাড়ে গিয়েছিলেন গ্রীষ্মাবকাশ কাটানোর জন্য। পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেখে একটা বাগানবাড়ি কিনেছিল তার ছেলে রথীন্দ্রনাথ। তো রামগড়ে এক মালীর মাথা-কাঁপা ব্যারাম দেখে কবি তাকে হোমিওপ্যাথি ওষুধ দিলেন, তার মাথার কাঁপুনি গেল সেরে।তখন সেখানে গল্প ছড়িয়ে গিয়েছিল কলকাতা থেকে বড়ো এক ‘ডাক্টর সাহাব আয়া’। (পৃষ্ঠা-৯১)

হোমিওপ্যাথিক রবীন্দ্রনাথ নিয়ে জীবনীকার প্রভাতকুমার লেখেন, ‘রবীন্দ্রনাথ যে খুব ভালো হোমিওপ্যাথ ছিলেন সে খবর অনেকেরই জানা নেই। কিন্তু আমরা জানি। ইংরেজিতে ছাপা হোমিওপ্যাথির উপর নামকরা বই প্রায় সবই তাঁর ছিল। শেষজীবনে বায়োকেমিকের উপর ঝোঁক পড়ে।’ (পৃ.৯১)

নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির পর প্রাচ্য ও প্রাশ্চাত্যে রবীন্দ্রনাথের ডিমান্ড বেড়ে গেল। এবং বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দিয়ে বেড়িয়েছেন। পাশ্চাতে তার মধ্যে ঈসার রূপ, বা প্রাচ্যের কোন সাধুর প্রতিমূর্তি দেখেছিল। এটা আসলে বর্তমানে পাশ্চাত্যে রবী বিমুখতার কারণ। কারণ কবি ও নবীর মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে। কবিতায় একজন কবি যে কথা বলেন সেটা তিনি বাস্তবজীবনে পালন না করতেও পারেন। কিন্তু সত্যিকার সাধু, সন্ত বা নবীদেরকে কথা ও কাজের মধ্যে সঙ্গতি রাখতে হয়। এমন তত্ত্ব বা আদর্শ তিনি প্রচার করতে পারেন না যেটা তিনি নিজে পালন করেন না। রবীন্দ্রনাথ আসলে একজন কবি ছিলেন, সাধু-সন্ত হয়তো পুরোটা ছিলেন না বা পাশ্চাত্য প্রাচ্য থেকে যে আরেকজন মেসাইয়া খুজছিল রবীন্দ্রনাথ সেটা ছিলেন না। এজন্য আজকাল পাশ্চাত্য রবীন্দ্রনাথে মজা পায়না বা তাঁকে নিয়ে ‘disenchanted’!

রবীন্দ্র সমালোচকরা তার মেয়েদের বাল্য বিবাহ নিয়ে সমালোচনা করে থাকে। যেখানে একজন দুরদৃষ্টিসম্পন্ন কবি হিসেবে নারী শিক্ষা ও নারী প্রগতি নিয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ ও বক্তৃতা দিয়েছেন সেখানে তার মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন এগারো বা চৌদ্দ বছর বয়সে। এবং ছেলে রথীন্দ্রনাথ পরিবার থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য যে সুযোগ-সুবিধা পেয়েছিল তার কোন মেয়েই  সেটা পাননি। এক্ষেত্রে কবিপত্নীর হাত রয়েছে বলে মনে করা যেতে পারে। কারণ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী চেয়েছিলেন যেন খুব শীঘ্রই তার কণ্যাদের বিয়ে হয়ে যায় বা তিনি মেয়েদের বিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। কবি পত্নী যখন মারা যান তখন তার বয়স ছিল মাত্র ত্রিশের কোটায় এবং কবি চল্লিশে। সে যাই হোক কবির বিরুদ্ধে এই সমালোচনা চলবেই। আবার গ্রামে দরিদ্র কৃষকদের নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমিতি করতেন যিনি, তাদের জন্য ব্যাংক করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন যিনি তিনি কিভাবে পূর্ববঙ্গে মুসলমানদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা করেন সেটা সবসময়ই বিতর্কিত থেকে যাবে।

কবি ও কাব্যের ফারাক

কবি ও কবিতার মধ্যে ফারাক নিয়ে লেবানিজ-আমেরিকান কবি কাহলিল জিবরানের কাছে মনোপূত: উত্তর পেয়েছিলাম। কাহলিল জিবরানের ‘দ্য প্রোফেট’ এবং ‘দ্য ম্যাডম্যান’ পড়ে একসময় ‘intoxicated’ হতাম।এবং এখনো ‘দ্য প্রোফেট’ এর বাণী বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। কাহলিল জিবরানের এইসব লেখা পড়ে তার জীবনকালের শেষের দিকে তার কাছে মানুষের লাইন পড়ে থাকতো। তার কাছে প্রাত্যহিক এবং আধ্যাত্মিক সমস্যার সমাধান চেয়ে ভক্ত পাঠক অনুরোধ করতো। তখন তিনি সেটা বুঝাতে চেষ্টা করতেন কবিতার মধ্যে আমরা যে কবিকে দেখি এবং বাস্তবজীবনে যে ব্যক্তিকে দেখি তার মধ্যে ফারাক অনেক। কবি ভাবের জগতে যখন খেলা করেন তখন শার্ল বোদলেয়ারের ভাষায় ডানামেলা ঈগলের মত সুদূঢ় আকাশে উড়েন এবং তার পাখা এত বিশাল যে মাটিতে পা রাখতে পারেন না। আবার কবির প্রাত্যহিক ব্যক্তি মানুষটি যখন প্রকাশ হয় তিনি আর সব সাধারণের মতোই। তাকে আমরা রবার্ট ফ্রস্টের মতো কৃষিকাজ করতে দেখি, টিএস এলিয়টের মতো ব্যাংকে কেরানীগিরী করতে দেখি, রবীন্দ্রনাথের মতো জমিদারীর হিসাব মেলাতে দেখি।

রবীন্দ্রনাথের জাপান অভিজ্ঞতা: রাজার মতো যত্ন, বহিষ্কৃতের মত অপমান!

নোবেল প্রাপ্তির পর থেকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে বক্তৃতার এক পর্যায়ে জাপান গিয়েছিলেন। তখন জাপান সামরিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে বেশ শক্ত সামর্থ্য ছিল এবং চায়না সহ আশেপাশের দেশগুলোতে শক্তি খাটাচ্ছে। জাপানে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিলেন, নগরীর উয়েনো পার্কে সংবর্ধনা যেখানে উপস্থিত ছিল সরকারের গণ্যমান্য লোক। বিভিন্ন ধনীদের বাসায় আমন্ত্রণ রক্ষা করছেন। তখন কবি লিখছেন “রাজার মতো যত্ন পাচ্ছি। এমন সুন্দর জায়গা আর কোথাও পাব বলে মনে হয় না।”

অবশ্য খুব শীঘ্রই কবি মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখেছেন। জাপানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লেকচারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘The nation’ ও ‘The Spirit of Japan’। সময়টা ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দ্বিতীয় বছর। জাপান চীনকে নানাভাবে লাঞ্চিত করছিল। তাঁর এক ভাষণে চীনের প্রতি জাপানের এই আগ্রাসী ভূমিকার নিন্দা করে উপদেশ দিলেন পাশ্চাত্য রাষ্ট্রগুলোর অনুকরণে জাপানের এই সাম্রাজ্যবাদী আদৌ কল্যাণকর হবে না। পরাধীন ভারতের এক কবির কাছে যুদ্ধকামী, আগ্রাসী জাপানী রাষ্ট্রচালকরা এই অযাচিত উপদেশ শুনে বিরক্ত হলেন। সরকার এমনভাবে পেছনে লাগলো যে কবির পক্ষে সভাসমিতিতে বক্তৃতা করার সব সুযোগ বন্ধ হয়ে গেল।

এবার প্রভাতকুমারের ভাষায় জাপান ত্যাগের গল্পটি বলি।

“শোনা যায়, কবি যেদিন জাপান ত্যাগ করলেন, সেদিন গৃহকর্তা ব্যতীত জাহাজ-ঘাটে তাঁকে বিদায় দেবার জন্য আর কেউ উপস্থিত হতে পারে নি। অথচ যেদিন তিনি প্রথম এসে কোবেতে নেমেছিলেন সেদিন সকলে রাজসম্মানে তাঁকে স্বাগত করেছিল।” (পৃ.১০০)

এই যে, কবিজীবনে অর্জন-বর্জনের ঘটনা ঘটে সেটা কিন্তু কবিজীবনের নিয়তি! পূজা এবং নিন্দা পালাক্রমে আসে কবিজীবনে। রবীন্দ্রনাথও তার ব্যতিক্রম নন।

আমি রবীন্দ্রপূজারী বা বড় কোন রবীন্দ্রভক্ত নই। এবং আমি মনে করিনা রবীন্দ্রনাথই বাংলা সাহিত্যের শেষ কথা। বাংলা সাহিত্য তার সমান বা তার চেয়েও মহান আরও অনেক সাহিত্যিক, কবি নিয়ে আসবে বলেই আমার দৃঢ়বিশ্বাস। কিন্তু এই সুদর্শন ভদ্রলোক এবং তার বিশাল সৃষ্টি এবং তার বৈচিত্রময় ও কর্মমুখর জীবনের দিকে যখন উকি মারি তখন বিস্মিত হই।তার বিশালতা যেমন আমাদেরকে ভীতশ্রদ্ধ করতে পারে আবার কিন্তু অনুপ্রাণিতও করতে পারে। আমি যদি অনুপ্রেরণা নিতে পারতাম! সে লক্ষেই সমুদ্র থেকে তুলিলাম আজ এক ঘটি জল!

 

বইপত্র:

রবীন্দ্রজীবনকথা, প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়

ছেলেবেলা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আত্মঘাতী বাঙালী ও আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ, শ্রীনীরদচন্দ্র চৌধুরী।

 

(এই প্রবন্ধ প্রথম প্রকাশিত হয় জনপ্রিয় অনলাইন দৈনিক ‘দি রিপোর্ট’-এ)

সাবিদিন ইব্রাহিম

ফকিরের পুল, মতিঝিল, ঢাকা

৬ জুন, ২০১৫

মেইল: [email protected]

Related Posts

About The Author

Add Comment