শেকৃবিতে প্রথম পাবলিক লেকচার: একটি অনন্য যাত্রা

গত ৬ আগস্ট, ২০১৬ শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা আমাদেরকে একটি অনন্য সকাল ও অসাধারণ অভিজ্ঞতার ভাগিদার করলো। প্রথমেই তাদের প্রতি নিরন্তর ভালোবাসা, অশেষ কৃতজ্ঞতা। শতাধিক শিক্ষার্থী এবং স্বনামধন্য শিক্ষকদের উপস্থিতি আমাদেরকে আশান্বিত করেছে, অনুপ্রাণিত করেছে। কালকের এই লেকচারটি আমার স্মৃতিতে একটি বিশেষ দিন হিসেবে গাথা থাকবে! এরকম স্বপ্নের দিন উপহার দেওয়ার জন্য উপস্থিত সবার প্রতিই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

শিমুল দা

শিমুল চন্দ্র সরকার

কি ছিলো না গতকালটির লেকচারে। প্রথমেই শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের সম্মানিত সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম, শেকৃবির মডারেটর শিমুল চন্দ্র সরকার উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। সেই চমৎকার বক্তব্যে উঠে এসেছে স্টাডি ফোরাম নিয়ে তার স্বপ্নের কথা, আকাঙ্খার কথা। উপস্থিত আর সবার মতোই আমিও মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম। তার কাছ থেকে আসা একটি বাক্যাংশ আমার খুব পছন্দ হয়েছে। সেটা হলো-‘Learning through sharing’।

তারপর বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু সম্পূর্ণ পরিচয় নিয়ে আসেন বিডিএসএফ, শেকৃবির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। অসাধারণ বাগ্মী ও মেধাবী তরুণের কাছ থেকে নিয়মিতই শেখার মসলা পাই। তার বলার ভঙ্গি এবং জ্ঞানের বিভিন্ন শাখাতে তার আগ্রহ বেশ অনুপ্রাণিত করে। সাইফুল্লাহ ওমর নাসিফ, প্রিন্স মাহফুজ, তাসনীম সাইকি, তালহা সজীব, আবীর ইবনে সিনহাদের মতো স্বাপ্নিক তরুণরা আমাদেরকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে সেটা ভেবে আশাণ্বিত হচ্ছি।

হুমায়ুন কবির

হুমায়ুন কবির

তারপর বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীর ইতিবৃত্ত নিয়ে গল্পের ঢালি মেলে ধরেন বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীর প্রাণপুরুষ এ.এস.এম. ইউনুছ। তার দীর্ঘ এক ঘন্টা দশ মিনিটের বক্তৃতার কোনটাই অপ্রয়োজনীয় মনে হয়নি, কেউ বিরক্ত হয়নি, পুরোটা সময় মনোযোগ ধরে শুনছিলেন উপস্থিতি সবাই-এটাই গত লেকচারের সবচেয়ে আকর্ষনের দিক। শেকৃবির বন্ধুরা প্রথমেই এরকম একটি লেকচার আয়োজন করে তাদের দুরন্ত সূচনা শুরু করলো। এবার তারা তাদের দ্রুতগামী ট্রেনটি নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চালনা করবেন এই আশাবাদ রইলো।

ইউনুছ

এ.এস.এম ইউনুছের আলোচনার পর প্রশ্নোত্তর ও মন্তব্য পর্ব চলে মিনিট বিশেকের মতো। সেখানে উপস্থিত বন্ধুদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে এবং পাবলিক লেকচারটিকে প্রাণবন্ত করেছে। বিশিষ্ট লেখিকা নাজনীন তৌহিদ ও তার সংক্ষিপ্ত মন্তব্য পেশ করেন। তারপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন শেকৃবির শিক্ষক ও কৃষিবিদ আরিফ হাসান।

Comment and Question

Comment and Question

আলোচনায় অংশ নেন নন্দিনী ফুলের কিংবদন্তীর স্রষ্টা প্রফেসর ড. আ.ফ.ম জামাল উদ্দিন। নান্দনিকতাকে কিভাবে জীবনে ও যাপনে লালন করতে হয় প্রফেসর জামাল উদ্দিন তার উজ্জল নিদর্শন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটু ঘুরলেই দেখতে পাওয়া যায় উনার কৃতিত্ব কারণ চতুর্দিকে দেখা মেলে উনার কোন না কোন প্রজেক্ট, কোন না কোন গবেষণা।

Jamal Uddin

আমাদের জেনারেশন যেখানে ১৭ দিনে ১৭ বার ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার চেইঞ্জ করে, ১৭ বার চেক ইন দেয়, ১৭ বার কভার ফটো আপডেট করে সেখানে প্রফেসর জামাল উদ্দিন ১৭ বছর সময় দেন এক নন্দিনী ফুলের পেছনেই। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম আসলে এরকম সাধকদের সম্মান জানাতে চায়, তাদের পথের ধূলি পরিষ্কার করতে চায়। গত শতকের শতকের শ্রেষ্ঠ একজন ঐতিহাসিক উইল ডুরান্টের ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয়-

“We are the shameless worshipper of great people”।

ড. আ.ফ.ম জামাল উদ্দিনের উপস্থিতি গতকালের লেকচারটিকে মহিমাণ্বিত করেছে, সৌন্দর্যশোভিত করেছে।

ডিন

তারপর মাননীয় ডিন ড. কামাল উদ্দিন তার আলোচনা শুরু করেন। তার আধা ঘন্টার মতো সেই আলোচনায় উঠে এসেছে তার জ্ঞান, প্রজ্ঞা, সাংগঠনিক সক্ষমতা, দর্শন, সাহিত্য ও ধর্মতত্ত্বের প্রতি তার আগ্রহের কথা। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের কর্মকাণ্ডে সমর্থন এবং শেকৃবির বন্ধুদের পাশে ধারানোর প্রত্যয় আমাদেরকে সাহস দিয়েছে, অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমরা আশা করবো আগামীদিনগুলোতে শুধু শেকৃবির বন্ধুদের পাশেই নন বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের সকল কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থেকে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবেন। মাননীয় ডিন মহোদয়ের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

সবশেষে সভাপতির বক্তব্য দিয়ে প্রথম পাবলিক লেকচারের ইতি টানেন বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম, শেকৃবির সভাপতি সাইফুল্লাহ ওমর নাসিফ। প্রজ্ঞা, মেধা ও স্মার্টনেসের এক অনন্য উদাহরণ সাইফুল্লাহ ওমর নাসিফ। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামে এমন তরুণদের উপস্থিতি ও নেতৃত্ব আমাদেরকে অনেক দূর নিয়ে যাবে এটা বলা যায় নির্দ্বিধায়!

উক্ত পাবলিক লেকচারে সংক্ষেপে বক্তব্য রাখার সুযোগ দিয়ে কৃতার্থ করেছেন শেকৃবির বন্ধুরা। প্রোগ্রামের মাঝখানে দেওয়া সেই সমাপনী বক্তব্যের নোটটি নিচে উপস্থাপন করা হলো: নিচের নোটের বেশ খানিকটাই আলোচনায় উঠে এসেছে, কিছু অংশ আসে নাই। আবার কিছু বিষয় আলোচনায় এসেছে কিন্তু নোটে আসে নাই। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম একটি স্বপ্নের নাম শিরোনামে ওই লেকচার নোটটি নিচে উপস্থাপন করা হলো:

 

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম একটি স্বপ্নের নাম!

 

We are dreamers or day dreamers they say. Yes, we are day dreamers!

আধো ঘুমে যেসব স্বপ্ন দেখি সেগুলো আমাদের জীবন নির্ধারণে তেমন ভূমিকা রাখে না। যেসব স্বপ্ন আমাদেরকে সচল ও কর্মব্যস্ত রাখে সেগুলোই আসলে স্বপ্ন।

আমরা আমাদের প্রত্যেকের জীবনের দেখি ফিরে তাকাই—

We’re the results of the dreams we’ve dreamt in the past.

And we’ll be what we’re dreaming today, we’re dreaming now!

Then why not we dream big! Dream substantial and not petty!

When we merely think about ourselves and our dreams move around ourselves they are petty, they are trivial!

When we connect our dreams to others, connect to the thousands and millions like us then we really dream big, dream substantially.

আমার একজন গুরু আমাকে বলতেন-‘স্বপ্নে যখন বিরিয়ানি খাবে তাহলে বেলচা দিয়ে খাও, কাটা চামুচ দিয়ে কেন?’

আমাদের বর্তমানের স্বপ্ন দেখার সক্ষমতা অতীতের প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতার ফল। তাই এখন আমাদেরকে আগামীদিনের স্বপ্ন আঁকার জন্য আজকের দিনের প্রস্তুতি আবশ্যক!

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম হচ্ছে সেইসব স্বাপ্নিকদের প্লাটফর্ম!

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

বাংলাদেশের অতীত পাঠ, পুনর্পাঠ, বর্তমানকে ধারণ, অনুধাবন এবং বর্তমান সমস্যা পাঠ ও সমাধান অনুসন্ধান ও সমাধান সম্পন্ন করা এবং ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা দেয়া হবে আমাদের ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনাকে আমাদের প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডের অংশ বানিয়ে ফেলতে হবে। আমাদের আজকের একটি সুন্দর কাজ একটি সুন্দর আগামী দিন নিয়ে আসবে।

Now is the time of great importance! Now is the time to make decision! Now is the time to take challenges! What we will do now will decide our tomorrows!

This is powerful now!

আমরা আজকে এই জমায়েতে যে সুন্দর শুরুটা করেছি এটা কত সুন্দর কাজ করার উপলক্ষ তৈরি করবে আমরা ঠিক এই মুহূর্তে হিসাব করতে পারবো না, We can just imagine how much potentiality it will bring!

আমরা কি চাই আসলে?

Our needs are evident, demand clear.

We want Economic Freedom, We need Cultural Freedom. We achieved political freedom in the 1971. Let’s complete our economic and cultural freedom by 2021! 2021 is a year to celebrate the 50th Birthday of our country! Let’s celebrate it in style. How we can celebrate?

We can celebrate it giving the best in us to the nation the way they gave in the 1971!

It is the time, it is the time to dig inside, search and explore what’s there! Then nurture and cultivate for the betterment of this nation.

 

অর্থনৈতিক মুক্তি মানে কি?

আমরা এমন একটি দেশ চাই যেটা হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন, সাম্য, ন্যায়বিচার, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদনের পূর্ণ অধিকার থাকবে। যেখানে রাষ্ট্রের কোন নাগরিক না খেয়ে ঘুমাবে না, ঘুমানোর জন্য আশ্রয় থাকবে, জীবন ধারণের নিরাপত্তা থাকবে এবং আইনের আশ্রয় লাভের সমানাধিকার থাকবে, বিনামূল্যে মৌলিক শিক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে ।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার পালন ও লালন করতে পারবে কোন ধরণের ভীতি বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

বাংলাদেশের দিশা হবে আমাদের ফোরাম।

Material prosperity is not enough if it is not a society based upon knowledge, justice and equality.

Whatever development we can make, whatever currency we gather can’t be saved, can’t be used properly if the emphasis is not upon knowledge and the pursuit of excellence. A nation can be a leader of civilization only through the practice of knowledge.

If the society is not based upon knowledge it will be based upon superstition, bigotry, ignorance and stupidity. There is no future for such a nation, such a society.

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অখণ্ড রাখা এবং সব প্রতিবেশি দেশ ও বহির্বিশ্বের সাথে কিভাবে বন্ধুত্বমূলক ও পারস্পরিক সম্পর্ক রাখা যায় সেটার পথ অনুসন্ধান করবে। অজ্ঞানতা, স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা দাশসুলভ মনোবৃত্তির পেছনে দায়ী। সমষ্টির চেয়ে ব্যক্তির স্বার্থ দেখা আত্মকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতার দিকে নিয়ে যায়। এজন্য অনেকে নিজের ক্ষুদ্র ব্যক্তি স্বার্থ, বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থ, দেশের নাগরিকের নিরাপত্তা এমনকি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেয়। দল, মত, গোত্র ও ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে এমন একটি গোষ্ঠি থাকতে হবে যারা দেশের স্বার্থ, মানুষের/নাগরিকের স্বার্থ, মানবতার স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। আমরা তাদেরকে নিয়েই কাজ করতে চাই বা আমরা সে অংশের একজন হতে চাই।

 

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা কি?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যতই আগাক না কেন আমাদের এই বায়োলজিকাল শরীরের জন্য খাবারের প্রয়োজনীয়তা দূর করতে পারবে না। আমরা তো আর প্লাস্টিক ও পলিথিন খেয়ে থাকতে পারবো না!

প্রাণের সাথে খাবার, খাবারের সাথে কৃষির, কৃষির সাথে প্রকৃতির যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক সেটা থেকে দূরে থাকা মানে মৃত্যুকে আহ্বান করা।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা সেই গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ভূমিকা রাখছে, ভবিষ্যতেও রাখবে।

আমাদের এই সীমিত ভূখণ্ডের প্রতি ইঞ্চিকে কাজে লাগিয়ে এই বিশাল জনগোষ্ঠিকে খাদ্য সরবরাহ করে উপযুক্ত মানব সম্পদে পরিণত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা। আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার শেষ নেই আমাদের।

ভবিষ্যতের রাজনীতি আবর্তিত হবে ফুড পলিটিক্স, এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট ও ওয়াটার নিয়ে।

এ সবগুলোতেই আপনাদের অবদান। আমরা আপনাদের অবদানকে স্বীকৃতি এবং ভবিষ্যতে একসাথে কাজ করার আহ্বান নিয়ে এখানে এসেছি। আমাদের গন্তব্য এক: আমরা একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চাই।

সেলফি ক্রেডিট: রাজিদুল ইসলাম

সেলফি ক্রেডিট: রাজিদুল ইসলাম

 

আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা

  • প্রতিটি ক্যাম্পাসের তরুণদের মধ্যে স্টাডি ফোরামের আহ্বান ছড়িয়ে দেওয়া।
  • সুশিক্ষিত ও সুপ্রশিক্ষিত হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তোলা এবং বিশাল জনগোষ্ঠিকে মানব সম্পদে পরিণত করার মিশন নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।
  • বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের মধ্যে আন্ত:সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা।
  • আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজন
  • আনন্দ স্কুল
  • ক্যাম্পাস এফএম
  • অনলাইন জার্নাল: আইন, কৃষি, পররাষ্ট্রনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি
  • বিডিএসএফবিডি.কম ওয়েবসাইটটিকে আরও প্রাণবন্ত করা

BDSF is a garden of knowledge where we help one another in the pursuit of excellence. We want a holistic development both personal and national level. By studying, analysing, scrutinizing both national and global affairs we give our inputs there and will contribute to make a better and a just society. We find a deep connection among all the branches of knowledge and letting our members exploring this connection we let them nurture a love for knowledge and lead them to the pursuit of excellence where they will be able to bring the best out of them and come to the service of humanity. The ultimate goal of our knowledge pursuit is to have a humane, just, equal, transparent and developed society.

 

The ultimate goal of our knowledge pursuit is to have a humane, just, equal, transparent and developed society.

You tube link: https://www.youtube.com/watch?v=L0UQPdYYK7c

লেকচার নোটস:

সাবিদিন ইব্রাহিম

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ৬ আগস্ট ২০১৬

 

Related Posts

About The Author

Add Comment