Origin of Life on Earth : A Brief Lecture Note

গতকাল বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের ৫২তম পাবলিক লেকচার হয়ে গেলো। “Origin of Life on Earth” শিরোনামে বক্তব্য রেখেছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন টিটু।

খুব কম সময়ের মধ্যে (৩০ বা ৪০ মিনিট) কোন কিছুই ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়না। আর সেটা যদি হয় বিজ্ঞান, তাহলে তো সেটা দূরূহ হয়ে পরে। তবুও এই কম সময়ের মাঝে গ্যালাক্সী, নক্ষত্র, পৃথিবী, জীবের উৎপত্তি তথা প্রাণের উৎপত্তি এবং এগুলো বিশ্বাসে সভ্যতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস-কি ছিল সেটা বিবেচ্য বিষয় বটে।

সাধারণত আমরা Origin বলতে বুঝি ডারউইনের Origin of Species । এই তত্ত্ব নিয়ে আমাদের একটা ভুল সিদ্ধান্ত আছে।

প্রাণের সৃষ্টি বা মানুষের সৃষ্টি কিভাবে হল, সেটা নিয়ে ডারউইনের Origin of Species এর উদাহরণ টেনে বলি, মানুষের পূর্বপুরুষ হচ্ছে বানর। আবার রাহুল সাংকৃত্যায়ন তার ‘মানব সমাজ’ বইয়ে বলছেন, মানুষের পূর্বপুরুষ বনমানুষ। বনমানুষ থেকে শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমেই আজকের পরিপূর্ণ মানুষ আমরা। কিন্তু ডারউইনের মতবাদ, কিংবা রাহুল সাংকৃত্যায়নের বনমানুষ থিওরী আমরা আংশিক জানি, কিংবা জানিই না। যা জানি সেটা অন্যের কাছ থেকে শুনা। ডারউইন কখনোই এটা বলেননি যে মানুষের পূর্বপুরুষ বানর। তিনি বলেছেন, বানর আর মানুষ প্রায় সমজাতীয় দুটি প্রাণি, বানর কখনোই মানুষের পূর্বপুরুষ ছিল না। তিনি তার Origin of Species এ Natural Selection এর মাধ্যমে প্রাণের উদ্ভব হওয়ার পর বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা বলেছেন।

প্রাণের যেমন বিকাশ আছে, তেমনি বিনাশও আছে। মহাজগৎ সৃষ্টির পর অনেক প্রাণের উদ্ভব যেমন হয়ে তেমনি বিলুপ্তি ঘটার উদাহরণও নেহাত কম নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া ( যেমন ডাইনোসর বিলুপ্তির একটা কারণ বলা হয় গ্রহাণুর পৃথিবীর আঘাত) Deoxy-raibo Nucleic Acid (DNA) অনেকাংশে দায়ী। যেসব প্রাণির DNA যতবেশি শক্তিশালী, তার বিকাশ ততদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। আবার এই DNA বংশের বাহকও।

সাম্প্রতিক কালে জিকা ভাইরাসের কারণে মাথা ছোট, দেহ বড়-এই যে প্রভাব, সেটা যে তার পরবর্তী প্রজন্মের জন্য হুমকি, সেটা এক প্রকার বলেই দেয়া যায়। আর এভাবেই জীবের পরিবর্তন ঘটে।

Related Posts

About The Author

Add Comment