বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ)

পরিচিতি

বাংলাদেশের চোখে বিশ্ব দেখি

প্রথম প্রকাশ: ১৬ নভেম্বর, ২০১৫

আপডেটেড: ৭ জুলাই, ২০১৭

প্রেক্ষাপট

১৯৭১ এর রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশ এই ভূখণ্ডের মানুষের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই ভূখণ্ডের মানুষ এই প্রথম নিজেদেরকে নিজেরাই শাসন করার ক্ষমতা অর্জন করে। এটি অর্জন করতে গিয়ে আমরা অনেক কিছুই হারিয়েছি। ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে লাল আমাদের জাতীয় পতাকা। দূর্ভাগ্যজনকভাবে এই অর্জনের পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিসটি হারিয়েছি, যেটি নিয়ে অপেক্ষাকৃত কম আলোচনা হয় সেটি হলো জ্ঞান উৎপাদনের ব্যাপারটি। স্বাধীনতা অর্জনের পর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে দায়িত্বটি ছিল তা হল ‘ন্যাশন বিল্ডিং’, রাষ্ট্র নির্মাণ ও সুসংহত ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা দেয়া। কিন্তু আমরা এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ দায়িত্বের পুরোটা পালন করতে পারিনি এ বিষয়ে দ্বিমতের অবকাশ কম।

বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান উৎপাদনের জায়গা, দেশ ও জাতির বর্তমান সমস্যা ও সংকটের স্বরূপ বর্ণনা এবং এর সমাধান বাতলে দেয়ার স্থান। বাংলাদেশের যা কিছু সফলতা এর পেছনে কাজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবার যা ব্যর্থতা তার পেছনেও সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই। স্পষ্টভাবে বলতে গেলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায় আরো অনেক বেশি। এখানে জনগণের ট্যাক্সের টাকায়, সরকারের ভর্তুকিতে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করে থাকে বলে দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি তাদের ঋণ অপরিমেয়। দেশ ও জাতির সংকটের সমাধান বের করার জন্য বিশ্ব জ্ঞানভাণ্ডারের উপর একটি সুসংহত দখল রাখা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম তাই প্রধানত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের তরুণ ইনটেলেকচুয়ালদের নিয়ে কাজ করে যারা আগামীতে দেশকে চিন্তা এবং কর্মের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিবে।

একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে জ্ঞান উৎপাদন করা। ১৯৫০ এর দশক পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছিল অত্যন্ত সফলতার সাথেই। বিশ্বের অন্যান্য প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে খুব সহজেই এর নাম উচ্চারণ করা যেতো। কিন্তু ৫২’র ভাষা আন্দোলন এবং তৎপরবর্তী বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ৬২’র ছাত্র আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ছাত্রদের এগারো দফা, ৬৯’র গণ অভ্যুত্থান এবং ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে অনন্য ভূমিকা রাখে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়টি তার দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করতে পারেনি। বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেনা এখন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতেগুণা কয়েকজন হয়তো অসামান্য কৃতিত্বের ন্বাক্ষর রাখছে। তবে সেটা অনেকটা ব্যক্তির কৃতিত্বেই।

আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি আমাদেরকে অনেক দ্রুত কাজ করার পদ্ধতি শেখাচ্ছে, যোগাযোগের বন্ধনে আবদ্ধ করছে, তর্ক, বিতর্ক ও কুতর্কের সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদের সামনে বিশাল তথ্যের দুনিয়া উন্মুক্ত হয়েছে। কিন্তু এর থেকে ছেকে কিভাবে মণিমুক্তা খুঁজে বের করা যায় এটা সবাই জানেনা।  এজন্য আমরা দেখি ফেসবুক-ব্লগে বাজে লেখার হিড়িক পড়ে যায়, সেখানে ভালো লেখা পাওয়া মরুভূমির ধূলাতে হীরক খুঁজে পাওয়ার মতো ব্যাপার। ভালো-মন্দের মাঝখান থেকে ভালোটা গ্রহণ করার জন্য যে যোগ্যতা অর্জন করতে হয় তার জন্য প্রাচীন কাল থেকেই সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে বই। বইপাঠ বিমুখিতা এবং নোট বইয়ের প্রতি অতি নির্ভরতা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। এখন দেশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হওয়ার জন্যও নোটবই নির্ভরতা ভয়ংকরভাবে বেড়েছে। লাইব্রেরিতে শত শত ছাত্র নোট বই পড়ার জন্য ঢুকছে, প্রতিযোগিতা করছে; কিন্তু জ্ঞানচর্চা, জ্ঞান সাধনা ও জ্ঞান উৎপাদনের জায়গাটা একেবারে ভয়ানক প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে। জ্ঞান উৎপাদনের ক্ষেত্রে দৈন্যদশার মাঝে যে গোটা সমাজ নিমজ্জিত এ কথা বলে যাবে কোন ধরণের লুকোছাপা না করেই। কিন্তু হতাশার এই ঘন অন্ধকারেও আশার প্রদীপ রয়েছেও অনেক। এই পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ছোট বড় উদ্যোগ থেমে থাকেনি। আমরাও এমন একটি উদ্যোগ। বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ) এই মূল সুতোটা ধরেই টান দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মূল দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। সিরিয়াস স্টাডি এবং জ্ঞান উৎপাদন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ সেটি নতুন করে উচ্চারণ করার দু:সাহস দেখাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল রাজনৈতিক আন্দোলন, দলীয় ক্যাডার ও কর্পোরেশনের শ্রমিক তৈরির কারখানা নয়। তার চেয়েও বড় দায়িত্ব রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের। জ্ঞান উৎপাদন এবং জ্ঞানের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেয়া। এটা হচ্ছে এই সময়ের সবচেয়ে বড় বিপ্লবী আহ্বান! স্টাডি ফোরাম এই নিরব বিপ্লবের একজন আহ্বায়ক!

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

বাংলাদেশের অতীত পাঠ, পুনর্পাঠ, বর্তমানকে ধারণ, অনুধাবন এবং বর্তমান সমস্যা পাঠ ও সমাধান অনুসন্ধান ও সমাধান সম্পন্ন করা এবং ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা দেয়া হবে আমাদের ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের মিশন  ও ভিশন

আমরা এমন একটি দেশ চাই যেটা হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন, সাম্য, ন্যায়বিচার, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদনের পূর্ণ অধিকার থাকবে। যেখানে রাষ্ট্রের কোন নাগরিক না খেয়ে ঘুমাবে না, ঘুমানোর জন্য আশ্রয় থাকবে, জীবন ধারণের নিরাপত্তা থাকবে এবং আইনের আশ্রয় লাভের সমানাধিকার থাকবে, বিনামূল্যে মৌলিক শিক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে ।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার পালন ও লালন করতে পারবে কোন ধরণের ভীতি বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

বাংলাদেশের দিশা হবে আমাদের ফোরাম।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অখণ্ড রাখা এবং সব প্রতিবেশি দেশ ও বহির্বিশ্বের সাথে কিভাবে বন্ধুত্বমূলক ও পারস্পরিক সম্পর্ক রাখা যায় সেটার পথ অনুসন্ধান করবে। অজ্ঞানতা, স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা দাশসুলভ মনোবৃত্তির পেছনে দায়ী। সমষ্টির চেয়ে ব্যক্তির স্বার্থ দেখা আত্মকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতার দিকে নিয়ে যায়। এজন্য অনেকে নিজের ক্ষুদ্র ব্যক্তি স্বার্থ, বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থ, দেশের নাগরিকের নিরাপত্তা এমনকি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেয়। দল, মত, গোত্র ও ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে এমন একটি গোষ্ঠি থাকতে হবে যারা দেশের স্বার্থ, মানুষের/নাগরিকের স্বার্থ, মানবতার স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। আমরা তাদেরকে নিয়েই কাজ করতে চাই বা আমরা সে অংশের একজন হতে চাই।

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের বীক্ষণ-ব্রত ও মকসূদসমূহ নিম্নে ১১ দফায় সংক্ষেপে বর্ণিত হল। পরবর্তিতে প্রত্যেক দফা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেয়ার করা হবে। The mission, vision and objectives of BDSF are briefly described below in 11 points. Each of the 11 points will be elucidated elaborately later.

১। ক্রিটিক্যাল চিন্তাভাবনার বিকাশসাধন ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনকল্পে পাঠাগার ও বই পড়ার আন্দোলনের সূচনা করা

  1. To initiate a library and book-reading movement to foster critical thinking and build a knowledge-based society

২। বুদ্ধিবৃত্তিবিরোধিতার বিলোপসাধন ও জ্ঞানের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের উদ্দ্যেশে শিক্ষাঙ্গনের ভিতরে ও বাইরে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চার প্রসার করা ও তাতে উৎসাহজ্ঞাপন

  1. To resist anti-intellectualism with the promotion and encouragement of intellectual engagement in the advancement of knowledge within academia and outside academia

৩। জাতিবৈষম্য, বর্ণবৈষম্য, ধর্মবৈষম্য, লিঙ্গবৈষম্য, শ্রেণীবৈষম্য, গোত্রবাদী ও সামন্তবাদী ইত্যাকার বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে জ্ঞানতাত্ত্বিক আন্দোলন

  1. To develop intellectual-resistance against racism, patriarchy aka gender racism, religious racism, classism, tribalism, feudalism, etc.

৪। আন্তর্বিদ্যা-বিজ্ঞানভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সমগ্রবাদী জ্ঞানতত্ত্বের বিকাশ এবং সেই আলোকে বাংলাদেশ তথা বিশ্ব অধ্যয়ন

  1. To take and employ an interdisciplinary and holistic approach to understand Bangladesh and the world at large

৫। রাষ্ট্র ও রাজনীতিসচেতন নাগরিক তৈরি করতে সহায়তা তৈরি করা।

  1. To help to create state and politically conscious citizen.

৬। উপনিবেশি মানসিকতাদূরীকরণ তথা শিক্ষাব্যবস্থার বিউপনিবেশায়নের মাধ্যমে জাতীয় মর্যাদা ও পরিচয়ে নিঃসংশয় নাগরিক গড়ে তুলতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন

  1. To cleanse Bangladesh of the cultural cringe and colonial mentality and to decolonize the education system with a view to create citizens who will prioritize their national dignity and identity

৭। নব্যউপনিবেশবাদ/নব্যসাম্রাজ্যবাদ ও অভ্যন্তরীণ উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিকপ্রতিরোধ

  1. To build intellectual resistance against neocolonialism/neoimperialism and internal-colonialism

৮। উগ্রমতাদর্শের নিরসনের নিয়তে মঞ্চ তৈরি করে জ্ঞানতাত্ত্বিক সংলাপ-আলোচনায় জনসম্পৃক্ততা প্রবর্ধন করা

  1. To raise a platform for knowledge-based discussion and engage people to intellectually fight ideological fanaticism

৯। কাঠামোগত জুলমাত নিরসনকল্পে মানবিকবিদ্যাচর্চার ওপর গুরুত্বারোপ

  1. To encourage everyone in the humanities to articulate intellectual-resistance and protest against structural violence in the system

১০। জাতীয় ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির উন্নয়নসাধন

  1. To promote and uphold the national language, culture, and economy

১১। আন্তর্নৃগোষ্ঠী, আন্তর্সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতি-সংহতি জোরদারকল্পে সংলাপের মঞ্চজাগরণ

  1. To build a platform for dialogue to ensure inter-ethnic, inter-community, and international security and solidarity

আমাদের কার্যক্রম

 

সিরিয়াস স্টাডি

স্টাডি ফোরাম সিরিয়াস স্টাডি বা গভীর অধ্যয়ন নিয়ে কাজ করে। গভীর অধ্যয়নের অসাধারণ দিক হচ্ছে এটা আমাদেরকে আপডেট রাখে। আমরা আমাদের চিন্তার সংকীর্ণতাগুলো ও ভুলগুলো শুধরে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। আমরা প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ থেকে ১৩ ঘন্টা পড়ার জন্য আমাদের মেম্বারদের উৎসাহিত করি।

লাইব্রেরিতে অধ্যয়ন

লাইব্রেরিতে অনেকে একসাথে পড়েন। পড়ার পর লেনদেন করা যায়। এতে চিন্তার সক্ষমতা বাড়ে। একা একা পড়লে অনেক সময় আত্ম অহমিকায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং নিজেকে জগতের সবচেয়ে জ্ঞানী লোক ভাবার যথেষ্ঠ কারণ থাকে। অনেকের সাথে পড়লে দেখা যায় আমার মত, আপনার মত অনেক জ্ঞানী গুণী লোক আছে বা থাকতে পারে বা আমার চেয়েও সমঝদার লোক থাকতে পারে। বই পড়ার পর কোন ব্যক্তির যে বুঝাপড়া ডেভলপ করে তা অনেক সময় একপেশে হতে পারে, কারো সাথে সেটা শেয়ার না করলে ‘হামছে বড়া কোন হ্যা’ মনোভাব চলে আসে যেটা পড়ার একটা স্বাভাবিক প্বার্শ প্রতিক্রিয়া। এখন এটা যদি আরেকজন পাঠকের সাথে শেয়ার করা যায়, তার মতের সাথে পরিচিত হওয়া যায় তাহলে স্বাস্থ্যকর লেনদেন হতে পারে, এর মাধ্যমে নিজের বুঝাবুঝি শক্ত করা যেতে পারে।

‘Reading makes a full man; conference a ready man; and writing an exact man.’

একা একা পড়লে কনফারেন্স করার সুযোগ হয়না।

প্রাত্যহিক বিডিএসএফ আড্ডা

আমরা প্রতিদিন লাইব্রেরি শেষে পঠিত বিষয় নিয়ে ‘বিডিএসএফ আড্ডা’ করি। সেখানে আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের পড়া বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করি। এর মজার দিক হচ্ছে আমরা একই সাথে অনেকের সারাদিনের পড়াতে নিজেদের ভাগ বসাতে পারি।

আমরা গান গাই, কবিতা আবৃত্তি করি, কৌতুক করি, গল্প করি, একসাথে চা খাই, নাস্তা করি।

বিডিএসএফ আড্ডা এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল জ্ঞানরাজ্যের সাথে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ যোগাযোগ ঘটানো, To have a holistic command over knowledge’। পারস্পরিক যোগাযোগ, শেয়ার ও মতামত প্রকাশ, মতৈক্য, মতানৈক্য, মতপার্থক্যের মাধ্যমে সত্যের কাছাকাছি পৌঁছানো আমাদের লক্ষ্য। সত্যানুসন্ধানে এটা খেয়াল রাখি যে আমরা যেন গোড়াপন্থী না হয়ে যাই এবং বলে না বসি পৃথিবীতে শুধু একটাই সত্য। মূলত সত্য একটা হলেও এর ব্যাখ্যা ভিন্ন এবং এতে পৌঁছার পথ ভিন্ন এবং এর স্বাদ ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে পার্থক্য তৈরি করে। এজন্য আমরা এই ভিন্নতার ব্যাপারে সতর্ক এবং অবগতথাকি এবং থাকতে বলি, এবং সর্বোপরি এই ভিন্নতাকে সম্মান করার চর্চা করি।

আমরা মনে করি, মতপার্থক্য হচ্ছে একটি গোলাপ ফুলের বিভিন্ন পাপড়ির মত। একটা পাপড়ি আলাদা অবস্থায় অসম্পূর্ণ। কিন্তু অনেকগুলো এক সাথে হলে সম্পূর্ণ গোলাপ ফুল হয়ে দাড়ায় এবং গন্ধ ছড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ জ্ঞানের এই বাগান তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে সমস্ত ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের উর্ধ্বে উঠে নির্মোহ দৃষ্টিতে বস্তুকে পর্যবেক্ষণ করার সক্ষমতা অর্জন করতে হয়। ‘ওপেন ডিসকাশন’ সেশন আমাদেরকে সে সক্ষমতার দিকে ধাবিত করে।

সাপ্তাহিক পাবলিক লেকচার:

আমরা প্রতি সপ্তাহে একটি বিশেষ লেকচারের আয়োজন করে থাকি। দুইঘন্টাব্যাপী এই লেকচারে একজন মূল বক্তা থাকেন যিনি সর্বোচ্চ ৪০ মিনিট বক্তৃতা দেন। বিষয়টি আগেই নির্ধারণ করা থাকে। এখন পর্যন্ত ৭২টির মত বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাসিক, দ্বিমাসিক ও ত্রৈমাসিক সেমিনার:

এটা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামের একটি। ২৪ মে, ২০১৫ আমরা কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে নজরুলের গানের উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন স্টাডি ফোরামের সানজিদা আক্তার প্রিয়াংকা। সেখানে প্যানেল বক্তা হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক জনাব বিশ্বজিৎ ঘোষ। আরও ছিলেন মামুন-অর-রশিদ, সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জা.বি। সভাপতিত্ব করেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ আজমের পিএইচডি থিসিস ‘বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন ও রবীন্দ্রনাথ’ বইটির উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন কে. এন ঈপ্সিতা। উক্ত অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে ছিলেন আহমেদ শামীম ও কুদরত ই-হুদা। সভাপতিত্ব করেছিলেন আবুল কাশেম ফজলুল হক।

নর্ডিক-সাউথ এশিয়ান কো-অপারেশন অন হাইয়ার এডুকেশন-ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়।

এপ্রিল, ২০১৬ তে ‘ঈশ্বর, ধর্ম ও বিশ্বাস’ শিরোনামে বিশেষ আলোচনা রাখেন শিশির ভট্টাচার্য্য।

 

স্টাডি ফোরামের একজন সদস্যের প্রত্যাশিত দিনলিপি:

সকাল আটটার সময় লাইব্রেরিতে প্রবেশ করে দিন শুরু। লাইব্রেরিতে নিজস্ব ডিসিপ্লিন ও পছন্দের বিষয় পড়বেন এবং স্টাডি ফোরামের সিলেবাসে কিছু বই আছে এগুলো বাধ্যগতভাবে পড়া চালিয়ে যেতে হবে। ক্লাস থাকলে ক্লাসে যাবেন, টিউশনি বা অন্য কোন কাজ থাকলে কাজে যাবেন এবং কাজ শেষে লাইব্রেরিতে চলে আসবেন। একজন আদর্শ পাঠক খুব দু:খে বইয়ের ছায়ায় আশ্রয় নিবেন আবার অনেক সুখি থাকলে সুখকে উদযাপনের জন্য বইয়ের কাছে আসবেন। একজন পাঠক যত ব্যস্তই থাকুক না কেন নিয়মিত পড়ার জন্য সময় বের করবেনই! 

আবার যখন কোন কাজ করার থাকেনা তখন পাঠক পড়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। একজন আদর্শ পাঠক সেটা মনে প্রাণে আত্মস্থ করে যে-

When you have some money to waste, waste behind buying books. When you have some time to waste, waste behind reading books. No other wastage is as profitable as wasting behind books!

 

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম এর ভবিষ্যত পরিকল্পনা 

২০২১ সালে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার ৫০ বছর পালন করবে এবং তার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার ১০০ বছর পূরণ করবে। এ দুটি ঘটনাই গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের জাতীয়তাবোধের জাগরণ এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৪৮, ১৯৫২, ১৯৬২, ১৯৬৯, ১৯৭১ থেকে শুরু করে ১৯৮০র দশকে স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলন ও সর্বশেষ ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে গণজাগরণের নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ অবস্থায় তরুণদের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরী। আমাদেরকে আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়েই সময়ের আহ্বানে সাড়া দিতে হবে। আমরা একসাথে কাজ করতে চাই কিছু লক্ষ্যকে সামনে রেখে। আমরা যদি কোন ফোরাম করি বা সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা চালাই তাহলে আমরা কি নিয়ে কাজ করবো?

বাংলাদেশের অতীত পাঠ, পুনর্পাঠ-বর্তমানকে ধারণ, অনুধাবন এবং বর্তমান সমস্যা পাঠ ও সমাধান অনুসন্ধান ও সমাধান সম্পন্ন করা এবং ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনা দেয়া হবে আমাদের ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

আমরা এমন একটি দেশ চাই যেটা হবে ক্ষুধা ও দারিদ্য মুক্ত, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, আইনের শাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদনের পূর্ণ অধিকার থাকবে। যেখানে রাষ্ট্রের কোন নাগরিক না খেয়ে ঘুমাবে না, ঘুমানোর জন্য আশ্রয় থাকবে, জীবন ধারণের নিরাপত্তা থাকবে এবং আইনের আশ্রয় লাভের সমানাধিকার থাকবে।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও আচার পালন ও লালন করতে পারবে কোন ধরণের ভীতি বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

বাংলাদেশের দিশা হবে আমাদের ফোরাম।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অখণ্ড রাখা এবং সব প্রতিবেশি দেশ ও বহির্বিশ্বের সাথে কিভাবে বন্ধুত্বমূলক ও পারস্পরিক সম্পর্ক রাখা যায় সেটার পথ অনুসন্ধান করবে।

অজ্ঞানতা, স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিকতা দাশসুলভ মনোবৃত্তির পেছনে দায়ী। সমষ্টির চেয়ে ব্যক্তির স্বার্থ দেখা আত্মকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতার দিকে নিয়ে যায়। এজন্য অনেকে নিজের ক্ষুদ্র ব্যক্তি স্বার্থ, বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থ, দেশের নাগরিকের নিরাপত্তা এমনকি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেয়। দল, মত, গোত্র ও ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে এমন একটি গোষ্ঠি থাকতে হবে যারা দেশের স্বার্থ, মানুষের/নাগরিকের স্বার্থ, মানবতার স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। আমরা তাদেরকে নিয়েই কাজ করতে চাই বা আমরা সে অংশের একজন হতে চাই।

জ্ঞান অর্জন শুধু তথ্য সংগ্রহ নয়, তথ্য জমানো নয় আর পৃষ্ঠা মেপে একাউন্ট ভারি করা নয়। We read to be political. Or Reading is a political act. এটার মানে এই নয় যে কোন রাজনৈতিক দলের আনুগত্য স্বীকার করা নয়। বাংলাদেশ নামক যে দেশটির আমরা নাগরিক একজন সচেতন নাগরিককে অবশ্যই রাজনীতি সচেতন হতে হবে।

সে রাজনীতির লক্ষ্য শুধু ব্যক্তি বা দলকে সেবা দেয়া নয়। এই দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই জ্ঞান চর্চার উদ্দেশ্য। যে জ্ঞান সময়ের কল্যাণে আসে না, যে জ্ঞান বর্তমানের প্রয়োজন মেটায় না, যে জ্ঞান ভবিষ্যতের সমস্যা ধরতে পারে না, সমাধান জানে না, যে জ্ঞান শুধু নিষ্কাম জ্ঞান চর্চাই সে জ্ঞান পড়ে থাক বনে জঙ্গলে এই মানব সমাজে নিয়ে আসার দরকার কি?

আমাদের নিয়মিত কর্মকাণ্ড:

  • আমরা নিয়মিত কিছু ওয়ার্কশপ আয়োজন করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে আমরা এসব আয়োজন করি।
  • ইংরেজি ভাষা নিয়ে বা ইংরেজিতে কিভাবে লিখতে হয় সেটা নিয়ে, রিসার্চ পেপার ও অ্যাসাইনমেন্ট পেপার কিভাবে লেখতে হয় সেগুলোর উপরে ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হচ্ছে ।
  • দর্শন ও চিন্তার উপরে নিয়মিত লেকচার হচ্ছে।
  • বাংলাদেশের ইতিহাস, বাংলা শিল্প, সাহিত্য ও চিন্তার উপর নিয়মিত আলোচনা আয়োজন করা হচ্ছে।
  • বাংলাদেশ নির্মাণে বিভিন্ন সেক্টরে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা সভা আয়োজন করা হচ্ছে।
  • ক্যারিয়ার গাইডলাইন বিষয়ক বিভিন্ন সভা সেমিনার আয়োজন হচ্ছে।
  • গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের উপর আলোচনা। স্টাডি ফোরামের প্রত্যেক সদস্যকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের উপর আলোচনা করি।
  • বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন্ট প্রোগ্রাম আয়োজন করি।
  • আমরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও বই অনুবাদ করি।

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ফিচার ও খবর প্রকাশিত হয়েছে। এমন কয়েকটি ফিচারও  খবরের লিংক সরবরাহ করা হচ্ছে।

আমরা খুবই গর্বিত যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আমাদের আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের খবর লিড স্টোরি করেছে। লিংক দ্রষ্টব্য: http://www.du.ac.bd/latest_news/single_news/904

দৈনিক সমকালে ‘বই পড়ি দেশ গড়ি’ শিরোনামের একটি ফিচার প্রকাশিত হয়েছে। লিংক: http://bangla.samakal.net/2016/12/24/257749

ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ এ প্রকাশিত একটি অসাধারণ ফিচার: http://xtra.newagebd.net/2805/a-movement-of-knowledge/

ঢাবি ওয়েবসাইটে যা বলা হয় সেটা হচ্ছে:

ঢাবি-এ Envisioning Our Common Future” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (BDSF)-এর উদ্যোগে আজ ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ অডিটরিয়ামে “Envisioning Our Common Future” শীর্ষক দু’দিনব্যাপী  আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। স্টাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আবদুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম। সম্মেলনের অন্যান্য কর্ম অধিবেশনগুলো অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র ও উচ্চতর সমাজবিদ্যা গবেষণা কেন্দ্রে।

এ সম্মেলনের আয়োজনে সহযোগী সংগঠনগুলো হচ্ছে: ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ (সিএসএস), এসইএস দাতব্য ফাউন্ডেশন, রমমারি ডট কম এবং এসইএল নিবাস হোটেল। সম্মেলনে    জ্ঞান-সহযোগী হিসেবে রয়েছে সাউথ এশিয়ান জার্নাল ফা সোশ্যাল সায়েন্স (SAJSS), ঢাকা ইউনিভার্সিটি জার্নাল অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (DUJDS), দ্য জার্নাল অব সোশ্যাল স্টাডিজ সমাজ নিরীক্ষণ এবং ফ্যামিলি মেডিসিন এন্ড প্রাইমারি কেয়ার রিভিউ।

দু’দিন ব্যাপী এই সম্মেলনে স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, ব্রæনাই, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আফগানিস্তান ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা  অংশগ্রহণ করছেন। এছাড়াও, বিভিন্ন দেশের প্রায় দেড় শাতাধিক তাত্বিক, শিক্ষক ও গবেষক গবেষণা প্রবন্ধ পাঠিয়েছেন। সম্মেলন থেকে নির্বাচিত প্রবন্ধগুলো আয়োজনের সহযোগী জার্নালে প্রকাশ করা হবে।”

ডেইলি স্টারে আমাদের কনফারেন্সের খবর: http://www.thedailystar.net/city/confce-envisioning-common-future-1334761

ইংরেজি দৈনিক বাংলাদেশ টুডেতে প্রকাশিত খবর:

আমরা যেহেতু সিরিয়াস পড়াশুনা নিয়ে কাজ করি এবং আমাদের নামের সাথে স্টাডি যুক্ত আছে সেহেতু অসাধারণ পাঠাভ্যাস এবং লেখনী বা নলেজ প্রোডাকশান আমাদের মধ্যে গুরুত্বের বিষয় হবে। স্টাডি ফোরামে যারা কাজ করতে চান বা যারা এর প্রতিনিধিত্ব করবেন যারা স্টাডি ফোরামের আইকন হিসেবে পরিচিত হবেন তাদের দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকবে দেশব্যাপী স্টাডি ফোরামের সদস্যরা। এজন্য তাদের ঈর্ষণীয় পড়ার হ্যাবিট ছাড়া বড় কোন যোগ্যতা আর থাকতে পারে না।

A Book in a Week or 50-100 pages in a day minimum, A Review/an article/a translation/ a paper in a month, 120 books Reading Plan Over a Year or two.

আমাদের পড়াশুনার পরিধি ও প্রস্তুতি যদি সেরা মানের না হলে নিজেকে ও দেশকে অন্ধত্বের দিকেই ঠেলে দেয়া হবে।

স্টাডি ফোরামের কর্মকান্ডে নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং এর লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও নীতির সাথে সম্মতি রেখে যারা কাজ করবে তাদেরকে আমরা এক্সিকিউটিভ বডিতে নেবো প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর। আমরা স্টাডি ফোরামের সদস্যদেরকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো। বই পড়া নিয়ে, লাইব্রেরিতে বই খোঁজার উপায়, বইয়ের রিভিয্যু, সমালোচনা, আলোচনা লেখার উপায়, প্রবন্ধ লেখার কৌশল, রিসার্চ পেপার লেখার কৌশল, অ্যাসাইনমেন্ট কিভাবে লেখতে, ভালো ইংরেজি লেখার কৌশল ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করবো।

এক্সিকিউটিভ বডিতে থাকার শর্ত:

(১) প্রতি মাসে কমপক্ষে ২ টি বই বা প্রতিদিন কমপক্ষে ২০-৫০ পৃষ্ঠা পড়তে হবে

(২) একটা বই আলোচনা প্রতি মাসে (যে মানের ই হোক না কেন। আমরা একে অন্যের লেখাগুলো পড়বো। নূন্যতম ফেসবুক গ্রুপে হলেও ছোট একটা রিভিয়্যু লিখতে হবে। কোন পত্রিকা হলে আরও ভালো। )

(৩) প্রতি ৪ মাসের মধ্যে স্টাডি ফোরামে কমপক্ষে ১টি লেকচার।

(৪) জার্নাল, পেপার, অনুবাদ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট

(৫) লাইব্রেরিতে সর্বোচ্চ ও নিয়মিত উপস্থিতি

(৬) নিয়মিত সাপ্তাহিক সেশনে উপস্থিতি। স্টাডি ফোরামের সকল প্রোগ্রামে সব ধরণের সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকা।

(৭) অন্যান্য ফোরাম, পাঠচক্রে নিয়মিত উপস্থিতি ইত্যাদি।

সাপ্তাহিক Public Lectures

  1. বাংলাদেশচর্চার অপরিহার্যতা- কে.এন. ঈপ্সিতা, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ০২.০১.২০১৫
  2. উচ্চশিক্ষায় বাংলাদেশ ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার অভিজ্ঞতা – আসিফ বিন আলী, সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, নিউ দিল্লী, ইন্ডিয়া– ০৯.০১.২০১৫
  3. আলীগড় থেকে বাংলাদেশ: ভারতবর্ষে মুসলমানদের রাজনৈতিকহয়ে উঠার ইতিবৃত্ত –মনিরুল ইসলাম, আলীগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি, উত্তর প্রদেশ, ইন্ডিয়া– ১৬.০১.২০১৫
  4. বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় ‘পজিটিভিজম’ এরগুরুত্ব – মিজানুর রহমান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়– ২৩.০১.২০১৫
  5. বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় ‘মরাল ফিলসফি’রজায়গা কোথায় (MoralPhilosophy in the Current World) – মেজর (অব) লুৎফর রহমান, বিশেষ অধ্যাপক, IUBAT -৩০.০১.২০১৫
  6. আইনের ভাষা কঠিন কেন – সাইমুম রেজা পিয়াস, লেকচারার, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি- ০৬.০২.২০১৫
  7. ইংরেজ, ইংরেজিও ইংরেজি সাহিত্যের উত্থান (The Rise of English) – আমাতুন নূর, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ১৩.০২.২০১৫
  8. পড়া, কেন লাইব্রেরী- সাবিদিন ইব্রাহিম, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও গবেষক– ২০.০২.২০১৫
  9. Palestine: The Country of Beauty – সাফা আল ইয়্যাদা, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ২৭.০২.২০১৫
  10. সাহিত্যে-দর্শনে মননশীল জ্ঞানচর্চা – মাদ্রিদ মাহাবুব, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ০৬.০৩.২০১৫
  11. দা মিনিং অব মিডিয়া গাম্বলিং ।। The Meaning of Media Gambling – ইয়াসিন এলাহী, লেকচারার, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলাপমেন্ট অল্টারনেটিভ- ১৩.০৩.২০১৫
  12. নারীর চোখে যৌন হয়রানি Discourse on Sexual Harassment: AFeminist Perspective – হাবিবা নওরোজ হ্যাপী, উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ২০.০৩.২০১৫
  13. বাঙালির আত্মপরিচয়ে মৈমনসিংহ গীতিকা – সানজিদা আক্তার প্রিয়াঙ্কা, সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় -২৭.০৩.২০১৫
  14. অপারেশন সার্চলাইট: গণহত্যার রাষ্ট্রীয় বয়ান – কাজী ওমর ফয়সাল, লেকচারার, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি– ০৩.০৪.২০১৫
  15. একজন আহমদ ছফা ওবাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা – লোকমান বিন নূর, লেকচারার, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-১০.০৪.২০১৫
  16. বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম- বিডিএসএফ নির্বাচন ও ভবিষ্যত কর্মসূচী ঘোষণা– ১৭-০৪-২০১৫
  17. ছিটমহলের মানুষ: রাষ্ট্রহীনতার গল্প – এ.এস.এম ইউনুস, লেখক ও গবেষক– ২৪.০৪.২০১৫
  18. মে দিবস ও মানবিক দুনিয়ার সংগ্রাম ।। May Day & the Struggle for aHumane World – আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, লেকচারার, IUBAT ও জুয়েল রানা, লেকচারার, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি- ০১.০৫.২০১৫
  19. বাংলাদেশ পাঠসিরিজ:গঙ্গাঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ– সাগর বড়ুয়া, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- ০৮.০৫.২০১৫
  20. চাকমাসাহিত্যের সাথে পরিচয়– সাবিদিন ইব্রাহিম, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও গবেষক -১৫.০৫.২০১৫
  21. সাগরে ভাসছে দেশ:কার দেশ? মানুষের নাকি পতাকার?– গোলাম রাব্বি, সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক- ২২.০৫.২০১৫
  22. মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র: সার্বজনীনতা বনাম বাস্তবতা – সাইমুম রেজা পিয়াস, লেকচারার, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি – ২৯.০৫.২০১৫
  23. John Nash: A Beautiful Mind ।। জন ন্যাশ : অ্যা বিউটিফুল মাইন্ড– আলাউদ্দীন মোহাম্মদ – ০৫.০৬.২০১৫
  24. মেধাস্বত্ব আইনের চর্চা : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ -তালুকদার রাসেল মাহমুদ – ১২.০৬.২০১৫
  25. দুনিয়া পাল্টানো আবিষ্কার এবং আবিষ্কারের গল্প || Discover the world changed and inventor Story – মোঃ রুহুল আমিন দীপু – ২০.০৬.২০১৫
  26. দ্য রেড মওলানা : লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্কস অব ভাসানী ।। The Red Mulana: Life & Works of Maulana Bhasani – মোঃ অনুপম হোসাইন উজ্জল – 27.06.2015
  27. 1971 Narratives : How Global Power Shape the Birth of a country- Asif Bin Ali – 27.07.2015
  28. বিরূপ সময়ে সাহসী উচ্চারণ-আড়াই হাজার বছরের সেরা বক্তৃতামালা – সাবিদিন ইব্রাহিম – 31.07.2015
  29. আইন বিষয়ক লেখালেখি, সম্পাদনা ও প্রকাশনা : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ – আব্দুল্লাহ আল আরিফ – 07.08.2015
  30. ইবনে খালদুন : ভূমিকার ভূমিকা : Ibn Khaldun : An Introduction to the Muqaddimah – কে.এন. ঈপ্সিতা 14.08.2015
  31. ইংরেজি সাহিত্যের ইতিবৃত্ত – সাবিদিন ইব্রাহিম – 28.03.2015
  32. আফ্রিকা : ফ্রম উইদিন || Africa : From Within – মূসা জুলকারনাইনি – 04.09.2015
  33. মার্ক্স পাঠের ভূমিকা ।। An Academic Introduction to Karl Marx – কে.এন. ঈপ্সিতা – 12.09.2015
  34. শিক্ষায় ট্যাক্স : উন্নত রাষ্ট্রসমূহের অভিজ্ঞতা ।। Tax on Education: An Overview of Developed Countries- আলাউদ্দীন মোহাম্মদ – 19.09.2015
  35. বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ)-এর মাসিক সভা ও বারোয়ারি আলোচনা
  36. যুদ্ধক্ষেত্রের মানবিকতা : আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের ইতিকথা ।। Humanity at Battlefield: History of International Humanities Law – কাজী ওমর ফয়সাল – 03.10.2015
  37. বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের হাল-হাকিকত – নেসার আমিন – 10.10.2015
  38. Constitution of Nepal : A Pathway to New South Asia || নেপালের নতুন সংবিধান : দক্ষিণ এশিয়ার নতুন সম্ভাবনা- আয়মান রাহাত – 17.10.2015
  39. কসমস : মহাজাগতিক চিন্তার সীমানা- এ.আর.কাব্য- 31.10.2015
  40. বরেন্দ্রভূমির একাল সেকাল- মাহবুব সিদ্দিকী- 07.11.2015
  41. রাজনৈতিক ব্যবস্থার উৎপত্তি : ফুকুয়ামা পাঠ- লোকমান হোসাইন- 14.11.2015
  42. আমাদের পরিবেশ, আমাদের করণীয়- মোঃ জাফর সিদ্দিক- 28.11.2015
  43. বাংলাদেশ পাঠ সিরিজ : হাওরবাসীর জীবনকথা- এ.এস.এম. ইউনুছ- 05.12.2015
  44. বাংলাদেশ পাঠ সিরিজ : বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ- সৈয়দ আশিক- 12.12.2015
  45. ইংরেজি সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস- সাবিদিন ইব্রাহিম- 26.12.2015
  46. Social Movement :A Case Study of 2015– আসিফ বিন আলী – 02.01.2016
  47. Theory of Relativity- মোঃ কাউসার- 09.01.2016
  48. Arundhati Roy’s “The God of Small Things”- Nazmun Naher Shishir- 16.01.2016
  49. বাংলাদেশ পাঠ সিরিজ: ধান- শিমুল চন্দ্র সরকার- 23.01.2016
  50. বাংলাদেশ পাঠ সিরিজ: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষা- নূর নিগার সুলতানা- 30.01.2016
  51. বাংলাদেশ পাঠ সিরিজ : ব্রাহ্ম সমাজ- ওয়াক টু এনলাইটেনমেন্ট ইন দ্য নাইন্টিন্‌থ সেঞ্চুরি- মোঃ মাসুম তালুকদার- 06.02.2016
  52. Origin of Life on Earth- সাখাওয়াত হোসেন টিটু- 13.02.2016
  53. বই আলাপন- ২০১৬ সালে বইমেলায় প্রকাশিত বইসমূহের আলোচনা- 20.02.2016
  54. ভিন্ন গ্রহে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে- রাহাত আল মামুন (ধ্রুব)- 27.02.2016
  55. The Tibetan Contribution in 1971- Prabir Barua Chowdhury- 05.03.2016
  56. সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ: সাম্রাজ্যবাদের নতুন অস্ত্র- কাইয়ুম আহমেদ- 12.03.2016
  57. সম্পত্তিতে নারীর অধিকার : প্রেক্ষিত বাংলাদেশের হিন্দু আইন- ফেরদৌসী বিনতে ফরিদ – 19.03.2016
  58. তাজউদ্দিন আহমদ-রাজনীতির এক নিঃসঙ্গ শেরপা- আকতারুজ্জামান রনি- 02.04.2016
  59. মুসলিম লীগ (১৯৪৭-১৯৫৪): জনবিচ্ছিন্নতা ও পতনের ইতিহাস- সাজিদ উল হক আবির- 09.04.2016
  60. ঈশ্বর ধর্ম বিশ্বাস- শিশির ভট্টাচার্য্য- 23.04.2016
  61. মানুষের অধিকারের আলাপ- রকিবুল হাসান- 30.04.2016
  62. চাপমূলক পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্য- আজহারুল ইসলাম- 07.05.2016
  63. দর্শন ও দার্শনিকদের গল্প- সাবিদিন ইব্রাহিম – 14.05.2016
  64. ফারাক্কা বাঁধের উপহার- এ এস এম ইউনুছ – 21.05.2016
  65. বিশ্ব রাজনীতি (১৯১০-১৯৫০)- নেসার আমিন- 28.05.2016
  66. নন্দিনীর গল্প- এ এফ এম জামাল উদ্দিন- 04.06.2016
  67. Strategic Security of South Asia- Shamsul Alam Belal- 12.06.2016
  68. জীবন ছোট নয় ( অন দ্য শর্টনেস অফ লাইফ—-সেনেকা )- সাবিদিন ইব্রাহিম- 23.07.2016
  69. কেমন আছে ছিটমহলবসী- এএসএম ইউনুছ- 30.07.2016
  70. Public Administration in Bangladesh- মোঃ সোহেল রানা- 13.08.2016
  71. মানব সত্তার পাশবিকীকরণ ( Animalization of Human Being)- কে এন ঈপ্সিতা- 20.08.2016
  72. বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ- কাইয়ুম আহমেদ- 27.08.2016
  73. এলিজাবেথীয় থেকে ভিক্টোরিয় যুগ: ইংরেজি সাহিত্যের ক্রমবিকাশ- সাবিদিন ইব্রাহিম- 03.09.2016
  74. অনন্য আহমদ ছফা- মেহেদী আরিফ- 24.09.2016
  75.  রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সুন্দরবন ও জ্বালানির ভবিষ্যৎ – আবুল হাসান রুবেল- 01.10.2016
  76.  বাংলার বাউল গান, আধুনিকতাবাদী অধিকার ও অনধিকার চর্চা- আবদেল মান্নান- 29.10.2016
  77. বিশ্ব রাজনীতিতে সাহিত্যের ভূমিকা- আব্দুল হাকিম আবীর- 05.11.2016
    078. সাহিত্য ও নারী- মাহফুজা মাহদী- 19.11.2016
    079. সাম্প্রদায়িকতার মনস্তত্ত্ব- ড. মুহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার- 27.11.2016
    080. জাস্টিস: ঠিক-বেঠিকের নীতি ( রিডিং মাইকেল জে স্যান্ডেল)- লোকমান হোসাইন- 03.12.2016
    081. বায়োকলোনিয়ালিজম- সাইফুল্লাহ ওমর নাসিফ- 10.12.2016
    082. ক্লাসিক বুক সিরিজ: সান জু’র ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’- সাবিদিন ইব্রাহিম- 07.01.2017
    083. মানব সংস্কৃতির বিকাশ ও বিশ্বসভ্যতা- মো. আদনান আরিফ সালিম- 14.01.2017
    084. The Making of Indigeneity in CHT- তামিনা চৌধুরী- 21.01.2017
    085. আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাণিজ্যের ভূমিকা- কাইয়ুম আহমেদ- 28.01.2017
    086. How to Read “Caliban”- এস এম মনিরুজ্জামান- 04.02.2017
    087. The Art of War in Leadership and Self Development-
    প্যানেল বক্তা
    Atiqur Rahman Sarker Sohel, Managing Director Muspana
    “The Art of War and Business Development”Izfandior Arion, poet, prosaist, polyglot
    “The art of translation, transliteration and war”
    Sabidin Ibrahim, অনুবাদক: দ্য আর্ট অব ওয়ার-সান জু
    “The Art of War in Leadership and Self Development”- 18.02.2017
    088. কাশ্মীর সমস্যা ও দক্ষিণ এশিয়া- জাকারিয়া পলাশ- 25.01.2017
    089. উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে- ওয়াহিদ সুজন- 11.03.2017
    090. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসে নারী- নূশরাত জাহান- 18.03.2017
    091. আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা- কাজী ওমর ফয়সাল- 25.03.2017
    092. বাংলাদেশ পাঠ উৎসব: মূলধারা ’৭১ ( মঈদুল হাসান)- সাগর বড়ুয়া- 01.04.2017
    093. বাংলাদেশ পাঠ উৎসব: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর- ইমরান মাহফুজ- 08.04.2017
    094. বাংলাদেশ পাঠ উৎসব: অসমাপ্ত আত্মজীবনী- রওনক জাহান- 15.04.2017
    095. বাংলাদেশ পাঠ উৎসব: জাসদের উত্থান পতন-অস্থির সময়ের রাজনীতি- বিশেষ বক্তা: মহিউদ্দিন আহমদ, লেখক, জাসদের উত্থান পতন-অস্থির সময়ের রাজনীতি; বিডিএসএফ বক্তা: কাইয়ুম আহমেদ, অরণ্য আরিফ, আবদুল হাকিম আবির- 22.04.2017
    096. বাংলাদেশ পাঠ উৎসব: দ্য ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ- সাবিদিন ইব্রাহিম- 29.04.2016
    097. বাংলাদেশ পাঠ উৎসব সমাপনী লেকচার: ১০ বই নিয়ে দশের আলাপ- 06.05.2017
    098. কারাগারের রোজনামচা: মানুষ মুজিব- ড. কাজল রশীদ শাহীন- 13.05.2017
    099. ক্লাসিক বুক সিরিজ: দ্য লিটল প্রিন্স- সাবিদিন ইব্রাহিম- 20.05.2017

দ্বিমাসিক Knowledge Seminar

১) “বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন ও রবীন্দ্রনাথ”, উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  -১০-০২-২০১৫

২) “ডিসকাশন সেশন অন কো-অপারেশন ইন হাইয়ার এডুকেশন ইন নরডিক কান্ট্রিজ”, বিজনেস ফ্যাকাল্টি অডিটোরিয়াম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় -২৩-০২-২০১৫

৩) “নজরুল জিজ্ঞাসা: কবিতা, গান ও প্রবন্ধ” , উচ্চতর সমাজবিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  -২৪-০৫-২০১৫

আমাদের দ্বিমাসিক এবং বিশেষ প্রোগ্রামের বক্তাগণ:

  • অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • অধ্যাপক মো:মশিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • ড.মোহাম্মদ আজম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • জাকির তালুকদার, কথাসাহিত্যিক
  • আনোয়ারা সৈয়দ হক, কথাসাহিত্যিক
  • লার্স আকলুন্ড, লুন্ড ইউনিভার্সিটি, সুইডেন
  • জ্যাকব ভিসার, লুন্ড ইউনিভার্সিটি, সুইডেন
  • মামুন-অর-রশীদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  • আহমেদ শামীম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
  • কুদরত-ই-হুদা, বিসিএস শিক্ষা
  • তানভির মানসুর, স্টকহোম ইউনিভার্সিটি, সুইডেন
  • এঞ্জেলিকা এন্ডারসন, পরিচালক, সুইডিশ ইয়ুথ নেটওয়ার্ক
  • বুবু আকলুন্ড, সংগীতশিল্পী, কলকাতা
  • সাইমুম রেজা পিয়াস, প্রভাষক, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি

গঠনতন্ত্র

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম জ্ঞানভিত্তিক সংগঠন, পদভিত্তিক নয়। এখানে প্রত্যেক সদস্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হায়ারারকি জ্ঞানের। কমিটি বা পদ হচ্ছে জ্ঞানভিত্তিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার নিমিত্ত। এখানে পদের নিমিত্তে জ্ঞান নয়। এই রীতি স্টাডি ফোরাম প্রথম থেকেই কাজ করে যাচ্ছে।

সংগঠনকে সম্প্রসারণ করা, বিভিন্ন জায়গায় সংগঠনকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একটা কমিটি প্রয়োজন হয়। সেই কাজটা ঠিকমত করার জন্যই কমিটি। তবে বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম স্রেফ কমিটিভিত্তিক সংগঠন হওয়ার প্রচেষ্টা থেকে দৃঢ়তার সাথে দূরে থাকবে।

কিভাবে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে তার প্রক্রিয়া:

১. মাস্টার্স উত্তীর্ন বন্ধুরা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হবে। অথবা যেসব ক্যাম্পাসে এখনো স্টাডি ফোরামের কাজ শুরু হয়নি তারা কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে স্টাডি ফোরামের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহনের মাধ্যমে এর সদস্য পদ পেতে পারে।রেজিস্টার্ড সদস্য নির্ধারণ হবে টি-টুয়েন্টির মাধ্যমে। (ভবিষ্যতে প্রয়োজন মনে  হলে এটাকে ওডিআই (৫০) বা টেস্ট (১০০) বইয়ের শর্ত নির্ধারণ করা  হতে পারে।)

২. যারা নিয়মিত স্টাডি ফোরামের কর্মকাণ্ডে অংশ নেবে এবং এর কাজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করবে তারাই এর সদস্য হতে পারবে।

৩. প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হবে।

৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হবে।

৫. কেন্দ্রীয় কমিটি একবছরের জন্য নির্বাচিত হবে। ছয়মাসের মাথায় প্রয়োজনীয়সংখ্যক সংশোধনী নিয়ে আসা যাবে।

৬. ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পাদিত হবে। যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান না তারা আগেই তাদের নাম প্রত্যাহার করতে পারবেন।

৭. টি-টুয়েন্টি চ্যালেঞ্জ সম্পন্ন করা ব্যক্তিরাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।টি-টুয়েন্টি চ্যালেঞ্জে সফল হওয়াদের একটি সদস্য নম্বর থাকবে। এটা আজীবন ওয়েবসাইট ও স্টাডি ফোরাম আর্কাইভে সংরক্ষিত থাকবে।

৮. কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের একটি তালিকা প্রত্যেক ভোটারের কাছে মেইল বা চিঠিযোগে পাঠানো হবে। তারা ১৪ ডিসেম্বর কনফারেন্সে এসে ব্যালট বাক্সে ভোট দিয়ে যাবেন। জরুরী প্রয়োজনে অনলাইনেও ভোট গ্রহণ  করা যাবে। এবং ঢাকার বাইরে যারা ভোট দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন তারা অনলাইনে ভোট দিতে পারবেন। দিনের ইভেন্ট শেষে ভোট হিসাব করে ফলাফল জানানো হবে।

৯. সর্বাধিক ভোটাধিকার প্রাপ্ত ব্যক্তিগণ সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজন মনে হলে এর বাইরেও এক বা একাধিক ব্যক্তিকে বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

১০. বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের বিস্তৃত কর্মকাণ্ড এবং এটা চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিবছর নতুন কমিটি গঠন হবে বছরের ১৪ ডিসেম্বর।ওইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিও নির্বাচিত হবে।

১১. কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত হওয়ার পর  যেসব ক্যাম্পাসে স্টাডি ফোরাম সচল সেখানে দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠিত হবে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক  সদস্য উপস্থিত থেকে নির্বাচন পরিচালনা করবেন।

১২. নির্বাচন ও ভোটিং পদ্ধতি:

সর্বজন গ্রহনযোগ্য তিন বা পাঁচজন নির্বাচন কমিশনারের পরিচালনায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক ভোটার সর্বোচ্চ পাঁচটি ভোট দিতে পারবেন। তালিকায় প্রথম যার নাম থাকবে তার পয়েন্ট হবে ৫ এবং ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম জনের প্রাপ্ত পয়েন্ট হবে যথাক্রমে ৪, ৩, ২, ১। প্রত্যেকের প্রাপ্ত পয়েন্ট যোগ করে সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্তদের তালিকা করা  হবে। সর্বাধিক ভোট প্রাপ্তদের মধ্য থেকে সর্বনিম্ন ১১ জন বা সর্বোচ্চ ২৬ জনকে নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে।

১৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি:

কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের সাথে সাথেই ঢাবি কমিটি গঠন করা যাবে। একই দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে  সে কমিটি গঠিত হবে যে প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত হয়েছে।শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের সদস্যরাই ভোট দিতে পারবেন। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যারা টি-টুয়েন্টি চ্যালেঞ্জ উত্তীর্ণ হয়েছেন তারাই কেবল ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

১৪. কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাবি কমিটি নির্বাচনের পর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এক্ষেত্রে শর্ত প্রয়োজন সাপেক্ষে  শীতিল করা যেতে পারে। যেমন টি-টেন বা ছয়টি বইয়ের চ্যালেঞ্জ উত্তীর্নদের ভোটাধিকার দেওয়া যেতে পারে। তবে এটাকে টি-টুয়েন্টিতে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা থাকবে।

১৫. কমিটির মেয়াদ একবছরের। ছয়মাসের মাথায় প্রয়োজন অনুসারে কিছু কিছু পদে সংশোধন আনা যেতে পারে।

এই নীতিমালা ও গঠনতন্ত্রে ফোরামের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সংশোধনী আনা যাবে। এক্ষেত্রে সকল এক্সিকিউটিভ মেম্বারদের সামনে ব্যাপারটা পেশ করতে হবে এবং মতামত নিতে হবে। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে আমাদেরকে এই নীতিমালা এবং গঠনতন্ত্র করতে হয়েছে আমাদের জ্ঞানান্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা দেশব্যাপী যে নলেজ মুভমেন্ট চালিয়ে যেতে চাই তা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার লক্ষ্যে এই আনুষ্ঠানিক কমিটি করা। তবে শুধু একটা কমিটি বা একটা নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা যা করতে চাই, যেখানে পৌছতে চাই তাকে সাহায্য করার জন্য এই নীতিমালা ও গঠনতন্ত্র এবং এটা আমাদেরকে থামিয়ে দেয়ার জন্য নয়। আমরা আমাদের এনড এ পৌছার জন্য এই মিনস্ গ্রহণ করেছি। এই মিনস্ আমাদের এনড্ কে যেন ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

আমাদের প্রথম গঠনতন্ত্র যার মাধ্যমে আমরা একবছর পরিচালিত হয়ে এসেছিলাম।

গঠনতন্ত্র (২০১৫-২০১৬):

  • প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন এক্সিকিউটিভ কমিটি নির্বাচিত হবে।
  • ৫ জন সমণ্বয়কের অধীনে ২৬ জন সদস্যের এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠিত হবে।
  • সর্বাধিক ভোট প্রাপ্ত ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সমণ্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৪ জন সমণ্বয়কে নিয়ে কাজ পরিচালনা করবেন।
  • আলোচনার ভিত্তিতে এবং ফোরামের স্বার্থে ৪ জন সমণ্বয়ককে এক একটি দায়িত্ব পালন করতে হবে।
  • ৪ টি বিভাগ/উইং হচ্ছে: (১) ডকুমেন্টাশন এন্ড মিডিয়া উইং (২) ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট উইং (৩) ফিন্যান্স এন্ড অ্যাকাউন্টস উইং (৪) প্রোগ্রাম এন্ড রিসার্চ উইং
  • প্রত্যেকটি উইং/বিভাগের কাজের জন্য ১ জন সমণ্বয়ক দায়বদ্ধ থাকবেন এবং প্রত্যেকটি বিভাগের সফলতা ও ব্যর্থতার দায়ভার ঐ বিভাগীয় সমণ্বয়কের।
  • কেন্দ্রীয় সমণ্বয়ক প্রত্যেকটি বিভাগের কাজ বুঝিয়ে দেবেন এবং এর তদারকি করবেন।
  • ফোরামের প্রয়োজনে ৪টি বিভাগের অধীনে আরও সাব-উইং (উপ-শাখা) খোলা যাবে। যেমন- ডিপার্টমেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ, কলাভবন রিপ্রেজেনটেটিভ, বিজনেস স্টাডিজ/ সায়েন্স ফ্যাকাল্টি রিপ্রেজেনটেটিভ, হল রিপ্রেজেনটেটিভ। এছাড়া যেসব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টাডি ফোরাম চালু হয়নি কিন্তু তাদের বিভিন্ন ছাত্র লেকচারে অংশগ্রহণ করেন তাদের মধ্যে একজনকে কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় রিপ্রেজেনটেটিভ এর দায়িত্ব দেয়া হবে।
  • ডকুমেন্টাশন ও মিডিয়া উইংয়ের কাজ হচ্ছে বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের সকল প্রকাশনা নিয়ে কাজ করা এবং নিয়মিত আপডেট করা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও গণমাধ্যমের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং সেখানে কোন প্রকাশনার কাজে সহযোগিত করা। প্রকাশনা, সাংবাদিক বা সংবাদ প্রতিনিধিদেরকে আমাদের যাবতীয় প্রকাশনা, ছবি, ভিডিও তথা তথ্যাদি দিয়ে সহায়তা করা। আমাদের নিয়মিত বিভিন্ন প্রোগ্রামের ডকুমেন্টাশন করাও এর আওতাভুক্ত। সাপ্তাহিক লেকচারের নোট সংগ্রহ করা ও প্রকাশ করা, বিশেষ সেমিনারের লেকচার নোট নেয়া ও প্রকাশ এবং স্টাডি ফোরামের মাধ্যমে নতুন নতুন প্রকাশনা বের করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রাখা।
  • ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট উইং এর কাজ হচ্ছে বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের প্রত্যেকটি ইভেন্ট বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেয়া। ভ্যানু কনফার্মেশন, অতিথি ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে একটা ইভেন্ট আয়োজনের সার্বিক দিক দেখাশুনা করা এই বিভাগের প্রধান কাজ।

কারা চালাচ্ছেন স্টাডি ফোরাম

বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম (বিডিএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটি

সভাপতি: এ.এস.এম ইউনুছ

সহ-সভাপতি: শিমুল চন্দ্র সরকার

সহ-সভাপতি: সাইমুম রেজা পিয়াস

সাধারণ সম্পাদক: সাবিদিন ইব্রাহিম

যুগ্ম  সম্পাদক: সাগর বড়ুয়া

যুগ্ম  সম্পাদক: লোকমান বিন নূর

যুগ্ম  সম্পাদক: কাজী ওমর ফয়সাল

সাংগঠনিক সম্পাদক (১): কেএন ঈপ্সিতা

সাংগঠনিক সম্পাদক (২): সাইফুল্লাহ উমর নাসিফ

সাংগঠনিক সম্পাদক (৩): কাইয়ুম আহমেদ

সাহিত্য সম্পাদক: মেহেদী আরিফ

দপ্তর সম্পাদক: তানভীর হোসাইন

প্রকাশনা সম্পাদক: রাসেল শেখ

আইটি সম্পাদক: রুহুশ আমিন দীপু

পয়সা আসে কোথা থেকে?

=>সদস্যদের দেয়া মাসিক চাঁদা

আপনি কিভাবে শামিল হতে পারেন?

নিচের এ তিনটি কাজ করলে স্টাডি ফোরামের সদস্য হওয়া যেতে পারে।

প্রথমত- টার্গেট টুয়েন্টি (T-20): স্টাডি ফোরামের প্রত্যেক সদস্য বিশটি বই পড়ে শেষ করার পরিকল্পনা করতে হবে। এটা আগামী দু’মাসের মধ্যে পড়ে শেষ করতে হবে। এখানে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়ার সাথে সাথে একাডেমিক, নন-একাডেমিক ও স্টাডি ফোরামের বাছাইকৃত বই পড়তে পারবে।

দ্বিতীয়ত- নিয়মিত লাইব্রেরি: লাইব্রেরিতে অনেকে একসাথে পড়েন। পড়ার পর লেনদেন করা যায়। এতে চিন্তার সক্ষমতা বাড়ে। একা একা পড়লে অনেক সময় আত্ম অহমিকায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং নিজেকে জগতের সবচেয়ে জ্ঞানী লোক ভাবার যথেষ্ঠ কারণ থাকে। অনেকের সাথে পড়লে দেখা যায় আমার মত, আপনার মত অনেক জ্ঞানী গুণী লোক আছে বা থাকতে পারে বা আমার চেয়েও সমঝদার লোক থাকতে পারে। বই পড়ার পর কোন ব্যক্তির যে বুঝাপড়া ডেভলপ করে তা অনেক সময় একপেশে হতে পারে, কারো সাথে সেটা শেয়ার না করলে ‘হামছে বড়া কোন হ্যা’ মনোভাব চলে আসে যেটা পড়ার একটা স্বাভাবিক প্বার্শ প্রতিক্রিয়া। এখন এটা যদি আরেকজন পাঠকের সাথে শেয়ার করা যায়, তার মতের সাথে পরিচিত হওয়া যায় তাহলে স্বাস্থ্যকর লেনদেন হতে পারে, এর মাধ্যমে নিজের বুঝাবুঝি শক্ত করা যেতে পারে।

‘Reading make a full man; conference a ready man; and writing an exact man.’

একা একা পড়লে কনফারেন্স করার সুযোগ হয়না।

তৃতীয়ত- ক্যাম্পাস আড্ডা: লাইব্রেরি শেষে আমাদের নিয়মিত আড্ডা চালু থাকবে।

আমরা প্রতিদিন লাইব্রেরি শেষে পঠিত বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে ‘ওপেন ডিসকাশন’ করি। সেখানে আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের পড়া বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করি। এর মজার দিক হচ্ছে আমরা একই সাথে অনেকের সারাদিনের পড়াতে নিজেদের ভাগ বসাতে পারি।

আমরা গান গাই, কবিতা আবৃত্তি করি, কৌতুক করি, গল্প করি, একসাথে চা খাই, নাস্তা করি।

যারা এই মশাল ছড়িয়ে দিচ্ছেন:

যারা এই মশাল ছড়িয়ে দিচ্ছেন:

১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিম:

চীফ কোঅর্ডিনেটর: সাগর বড়ুয়া

ইভেন্ট কোঅর্ডিনেটর: নূশরাত জাহান

প্রোগ্রাম এন্ড প্লানিং: আহমেদ দীন রুমি

 

২) কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি –

চীফ কোঅর্ডিনেটর: আতিক রহমান

ফাইন্যান্স কোঅর্ডিনেটর: হাফসা জাহান

বিভাগীয় সম্পাদকবৃন্দ: শতাব্দী জুবায়ের, আনোয়ার হোসেন আরাফ, আবদুল আজিজ

 

৩) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রেসিডেন্ট: সাইফুল্লাহ ওমর নাসিফ

সাধারণ সম্পাদক: হুমায়ূন কবির

 

৪) রাজশাহী ইউনিভার্সিটি

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি: শাহীন আলম, মোহাম্মদ শুয়াইব, মুস্তাকিম লিমন

 

৫) IUBAT – রুহুল আমিন দীপু, আলামিন সরকার

 

৬) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি- তানভির আহমেদ

 

৭) কবি নজরুল কলেজ- সোহেল রানা, মহিম আরমান, মারুফ আহমেদ

 

৮) সরকারী তিতুমীর কলেজ

চীফ কোঅর্ডিনেটর: সাইদুর রহমান শ্রাবণ

প্রোগ্রাম এন্ড প্লানিং কোঅর্ডিনেটর: জারিফ

ইভেন্ট কোঅর্ডিনেটর: ইমরান, রাসেল

পাবলিক রিলেশনস্: বিল্লাল হোসেন

 

৯) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-তাসলিমা নিশা, মরিয়ম সিদ্দিকা, ইয়াসিন আরাফাত

এবার আপনার পালা