Managing Oneself, On Having Heroes/Mentors

Sunday Sabidin, Lecture-3: Managing Oneself, On Having Heroes/Mentors

সানডে সাবিদিন হচ্ছে সাবিদিন ইব্রাহিমের সাপ্তাহিক লেকচারের একটি প্রোগ্রামের নাম। এই প্রোগ্রামের আওতায় তিনি প্রতি রবিবার নতুন কোন জ্ঞান বা আইডিয়া নিয়ে সর্বোচ্চ বিশ মিনিটের একটি লেকচার দেবেন। এর উপর ভিত্তি করে উপস্থিত সবাই আলোচনা রাখতে পারবেন। এই আড্ডা বা লেকচারে উপস্থিত থাকতে পারবেন সর্বোচ্চ ১৫ জন সদস্য। আজকের লেকচারটি ছিল এই সিরিজের তৃতীয় লেকচার।  

আজকের লেকচারে যা বলেছি এবং আমার লেকচার নোটে যা ছিল তার উপর ভিত্তি করে নোটটি লেখার চেষ্টা করছি।

 

বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ থাকার পরও যারা আমার লেকচারে উপস্থিত হয়েছেন তাদের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আপনারা প্রত্যেকেই স্রেফ দর্শক হতে চান না, যার যার ফিল্ডে সেরা খেলোয়ার হতে চান সেই আকাঙ্খা থেকেই এরকম লেকচারে আসেন সেটা সম্মান করার ব্যাপারই। আমার নিজের জন্য সহ আপনাদেরকেও একটা উপদেশ দিয়ে শুরু করি: Don’t be merely an audience of a game around you, be a game player!

Don’t be merely an audience of a game around you, be a game player!

এটা জীবনের একটা বড় সিদ্ধান্ত। আপনি যখন কেবল নিষ্ক্রিয় দর্শক নয় সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন তখনই আপনি আপনার সেরাটাতে থাকেন।

You stop growing when you stop learning.

আপনার শেখার প্রক্রিয়া যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন আপনার বড় হওয়ার হওয়ার প্রক্রিয়াও বন্ধ হয়ে যায়। অনেকেরই কেবল শারীরিক বয়স বাড়ে কিন্তু মানসিক বা চিন্তা শক্তি শৈশব বা কুড়িতেই পরে থাকে। আধুনিক শিক্ষা কাঠামোতে আমরা আমাদের আত্মোন্নয়নের অনেক প্রয়োজনীয় জিনিসই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাই না। এজন্য স্বশিক্ষা (সেল্ফ এডুকেশন) বা বিশেষায়িত শিক্ষা (পার্সোনালাইজড এডুকেশন) অনেক দরকারী। আমাদের সার্টিফিকেট অর্জন প্রক্রিয়া শেষ হলেও শিক্ষাগ্রহণের প্রক্রিয়া যেন শেষ হয়ে না যায়। আবার সার্টিফিকেট অর্জনের পাশাপাশি জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা গ্রহণ অব্যহত রাখতে হবে। তা নাহলে আমরা কিন্তু পিছিয়ে যাবো। বা নিজেকেই বারবার পুনরোৎপাদন করেই বেড়াবো। প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই নিজেকে বিকশিত করার এবং ক্রমাগত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার গুণাবলী থাকে। কেউ কেউ সেই চারাগাছে পানি দেয় আবার কেউ কেউ মেরে ফেলে। আমরা কোন প্রক্রিয়াটা নেবো সেটা একান্তই আমাদের নিজেদের চয়েস।

আধুনিক সময়ে আমাদের সংকট বহুমুখী এজন্য আমাদের সেল্ফ ম্যানেজমেন্ট বা আত্ম ব্যবস্থাপনা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আজ থেকে ৫০০ বছর আগে আগে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলেই প্রায় দেখা যেতো একজন মানুষ জন্ম সূত্রেই কোন কোন পেশা লাভ করতো। জমিদারের ছেলে জমিদার হচ্ছে, কৃষকের ছেলে জমি চাষ করছে, মুচির ছেলে মুচিগিরী করছে, কামারের ছেলে কামার হচ্ছে, তাতীর ছেলে তাতী হচ্ছে। এই যে চক্র তা থেকে বেশি পরিবর্তন করার সুযোগ ছিলো না। কিন্তু বিশ শতক ও একুশ শতকের দুনিয়া ভিন্ন রকমের। এখন এক পেশার পরিবারে জন্ম নিয়ে বিভিন্ন পেশাতে সুইচ করা যাচ্ছে। আগে যেখানে কাজের ক্ষেত্র হাতে গুণা কয়েকটা সেক্টরে বিভক্ত ছিল এখন একজনের সামনে কম পক্ষে কয়েকশতো কাজের সুযোগ অপেক্ষা করছে। ভবিষ্যতে আরও কত কত কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে তা আমরা হয়তো এখন কল্পনাও করতে পারবো না। কিন্তু প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাজের জায়গা যে সৃষ্টি হচ্ছে সেটা আমরা টের পাচ্ছি।

এটা যেমন কিছু বিশেষ সুবিধা নিয়ে এসেছে আবার অনেক অসুবিধাও নিয়ে এসেছে। এই বেশি দরজায় প্রবেশ করার সুযোগ আমাদের জন্য সেরা কোনটা হবে সেটা বাছাই করতে অসুবিধায় ফেলে দিচ্ছে। অনেকেই এমন কাজ করছে যেখানে তার পরিপূর্ণ বিকাশ করার সুযোগ পাচ্ছে না। আবার নিজের মধ্যে যে সেরা জায়গাটা ছিলো সেটা এক্সপ্লোর করার সুযোগ পায় না। একজন মানুষ তার জীবনে সর্বোচ্চ অর্জন তখনই করতে পারে যখন সে খুঁজে বের করতে পারে তার ভেতরকার সেরা পটেনশিয়ালিটিটা এবং সেটার পরিপূর্ণ বিকাশ করার জন্য সুপরিকল্পিত উপায়ে কাজ করে যায়। আর নিজের সেরাটা বাদ দিয়ে অন্য জায়গায় কাজ করলে পরিশ্রম করে হয়তো মাঝারি মানের সফলতা আসতে পারে কিন্তু সেল্ফ এক্সচুয়ালাইজেশনটা আর হবে না।

আমাদের মানব ইতিহাসে এমন অল্প কিছু মহামানব পাই যারা গড়পরতা মানুষের চেয়ে দশ হাজার গুণ বা তার চেয়েও বেশি অর্জন করে জীবন থেকে। যেমন ধরেন- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, আলবার্ট আইনস্টাইন, নেপোলিয়ন, বিঠোফেন, গ্যাতে, রবীন্দ্রনাথ প্রমুখ। তাদের বেশি অর্জন আর সাধারণ মানুষের গড়পরতা অর্জনের মধ্যে ফারাকের মুজেজাটা কি?

উচ্চাকাঙ্খা এবং তার পেছনে পরিকল্পিত প্রয়াস অবশ্যই একটা বড় কারণ। আর নিজের ভালোবাসার জায়গা খুজে পাওয়া এবং সেখানে পরিপূর্ণ ফোকাস দেওয়া হচ্ছে সেই বড় রহস্যের উত্তর। চীনা ওস্তাদ লাও জু আড়াই হাজার বছর আগে তার ‘তাও তে চিং’ এ বলে গেছেন- ‘তুমি তোমার ভালোবাসার কাজটা করো, দেখবে তুমি চাকুরী করছো না।’ মানের নিজের ভালোবাসার কাজে সময় দিলে কষ্টকর মনে হবে না, চাকুরী মনে হবে না। বড় বড় অর্জন করা মানুষদের এই একটাই বৈশিষ্ট্য; তারা তাদের পছন্দের কাজ করেছেন এবং এ কারণে সর্বোচ্চ শ্রম দিতে পেরেছেন। আর এভারেজ মানুষ বেশিরভাগই চাকুরী করে, খুব কমই পছন্দের কাজ বা চাকুরী করে এবং সেগুলো খুব বিরক্তি নিয়ে কাজ করে। একই ধরণের একঘেয়েমীপূর্ণ কাজ করে যায় এবং নিজের শেখার এবং বিকশিত করার পথটা অনেকটাই বন্ধ করে রাখে।

আর ভিঞ্চি, নেপোলিয়নের মতো লোকেরা নিজেদের হৃদয়ের স্পন্দন অনুভব করেন, নিজেদের সেরা দিকটার কথা খুঁজে পান এবং সেখানে পরিপূর্ণ ফোকাস দেন। এ কারণে তারা বেশি অর্জন করতে পারেন। ফোকাস কত শক্তিশালী সেটা বুঝানোর জন্য অনেক মনোবিজ্ঞানীই নেপোলিয়নের সামরিক বিজয়ের একটা কৌশলের কথা বলে থাকে। সেটা হলো: নেপোলিয়নের যুদ্ধে সফলতার অন্যতম প্রধান কারণ তার ফোকাস। তিনি শত্রুপক্ষের কোন একটা নির্দিষ্ট অংশকে টার্গেট করতেন সাধারণত সবচেয়ে দুর্বল মনে হতো যে জায়গাটা সেখানটাতে। তারপর সেখানে একের পর এক আক্রমণে একেবারে তছনছ করে দিতেন। তারপর ওই দুর্বল জায়গাটার পথ ধরে শত্রুপক্ষের ভেতরে ঢুকে গিয়ে শত্রুর পরাজয় নিশ্চিত করে দিতেন।

(তেমনি মানুষের জীবনে ফোকাস গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন আমাদের মধ্য থেকে সেরা দিকটা খুঁজে বের করতে পারবো এবং সেখানেই ফোকাস দেবো বেশি করে তাহলে বেশি অর্জন করতে পারবো।)

এটা সান জু’র ক্লাসিক ফর্মূলার কথা মনে করিয়ে দেবে:

Avoid what is strong, attack where is weak

শত্রুর শক্ত অবস্থান এড়িয়ে চলো, শত্রু যেখানে দুর্বল সেখানে আক্রমণ শানাও।

অন হিরোজ এন্ড মেন্টরস

আমরা আমাদের আশেপাশের মানুষদের দ্বারা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হই। এজন্য আমরা কাদের সাথে চলাফেরা করি, কাদের সাথে আড্ডা মারি, কাদের চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হই সেগুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে আমাদের আয় সাধারণত আমাদের কাছের পাঁচজন ব্যক্তির আয়ের গড়ের সমান। আমার আশেপাশে যেমন ব্যক্তি থাকবে তাদের ইনকামের কাছাকাছিই থাকবে আমাদের ইনকাম। এ সূত্রটা জীবনের অন্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমাদের জ্ঞান, আমাদের সুখ ও সফলতাও আমাদের খুব কাছের পাঁচজন ব্যক্তি বা বন্ধুর সমান হবে।

আমরা যদি আমাদের চারপাশে আমাদের চেয়ে সেরা ও উত্তম মানুষদের রাখি তাহলে আমরা আমাদের সাধারণ লেভেলের চেয়ে বেশি অর্জন করতে পারবো। এজন্য ভালো হয় সফল ও সেরা মানুষদের আশেপাশে রাখা। জীবিত সফল ও সেরা মানুষরা অনেক ব্যস্ত। তারা কি আপনাকে সময় দেবে? তারাও কি নিজেদেরকে আরও সেরা করার চেষ্টায় আছে না? তাহলে?

সমাধান হতে পারে-তারা যদি লিখেন বা বলেন সেগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া যায়।

আর আমরা যে পেশা বা যে কাজ করে থাকি সে পেশা বা কাজের সেরা সেরা লোকদের মধ্যে যারা মারা গেছেন তারা নিজেরাই অনেক লিখে গেছেন বা তাদের জীবনের উপর অন্যরা লিখেছেন। আমরা সেগুলো পড়ার মাধ্যমে সেইসব মানুষদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পারি।

এজন্য আমাদের হিরো বা রুলমডেল এবং মেন্টর নির্ধারণ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাড়ায়। আমরা কেমন হিরো নির্ধারণ করি এবং তাদের অনুসরণ কাজ করি আমাদের অর্জন তাদের মতোই বা কাছাকাছি হয়ে থাকে।

বাইবেলের একটি বিখ্যাত কথা হচ্ছে ‘Man has been created with the image of God’ মানে মানুষকে ঈশ্বরের প্রতিরূপ করে সৃষ্টি করা হয়েছে। কথাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং এর উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার দাবি রাখে।

প্রত্যেক মানুষের জীবনেই অন্য মানুষের বিস্তর প্রভাব, ছেলের উপর বাবার, মামার, দাদার; মেয়ের উপর মায়ের, ফুফুর। একেবারে পারিবারিক জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে আমরা যখন বিশ্বালয়ে প্রবেশ করবো এবং সেখানকার বড় চরিত্র হতে যাবো আমাদেরকে সেই ফিল্ডের সেরাদের সম্পর্কে জানতে হবে এবং তাদের গুণগুলো নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে হবে।

কেউ ক্রিকেটর সেরা ব্যাটসম্যান হতে চাইলে এটা বলে দিতে হয় না বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন বা কয়েকজনকে অনুসরণ করতে হবে। তেমনি বোলার হতে চাইলেও কাউকে না কাউকে অনুসরণ করতে হয়। নিজের একটা স্টাইল দাড়ানোর আগ অবধি সেটা অবশ্যই করতে হবে।

এটা খেলাধূলার ব্যাপারে যেমন সত্য তেমনি অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। যে সিনেমায় কাজ করতে চায় তাকে সে জগতের সেরাদের খোঁজ রাখতে হবে এবং সেরা কাউকে না কাউকে হিরো বা রুলমডেল মানতে হবে। যে রাজনীতিবিদ হবে সে তার আগের রাজনীতিবিদদের কর্মকাণ্ড স্টাডি করতে হবে, তারা কিভাবে কোন সিদ্ধান্ত নিতেন সেগুলো বুঝার চেষ্টা করতে হবে। একজন ঐতিহাসিক বা দার্শনিক বা ব্যবসায়ী বা আমলাও স্ব স্ব ক্ষেত্রের সেরা লোকদের কাছ থেকে দীক্ষা নিলেই নিজের সেরাটা অর্জন করতে পারবে।

হিরো, রুলমডেল বা মেন্টর থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কয়েকটা উদাহরণ দিলেই স্পষ্ট হবে।

আলেক্সান্ডারের শিক্ষক বা রুলমডেল ছিলেন অ্যারিস্টোটল। আলেক্সান্ডার একবার বলেছিলেন-‘আমার বাবা আমাকে জন্ম দিয়েছে কিন্তু অ্যারিস্টোটল আমার দৃষ্টিশক্তি খুলে দিয়েছে।’ গুরু অ্যারিস্টোটলকে তাই বাবার মতোই মনে করতেন।

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহারলাল নেহরু বলতেন তার তিনজন পিতা; এক-মতিলাল নেহরু, দুই- বাপুজি (মহাত্মা গান্ধী) এবং তিন-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নিজের জীবনে এই তিনজনের প্রভাবের কথা বলতে গিয়ে এ কথাটি টেনেছিলেন।

আলেক্সান্ডার ও থিওফ্রাস্টাসের গুরু ছিলেন অ্যারিস্টোটল। আবার অ্যারিস্টোটলের গুরু ও রুলমডেল ছিলেন প্লাতো। একইভাবে প্লাতোর গুরু ছিলেন সক্রেতিস। তাদের মধ্যেকার এই সম্পর্কের নেটওয়ার্কটা বুঝতে আশা করি আমাদের বেশি মেধা খরচ করার দরকার পড়ে না। সহজ কথায় বলতে গেলে আমরা যেমন হিরো বা মেন্টর নিই তেমনই হবে আমাদের অর্জন।

এরকম আরও কয়েকটা উদাহরণ দেওয়া যায়: ভারতবর্ষে রামকৃষ্ণ পরমহংস ও স্বামী বিবেকানন্দের মধ্যেকার সম্পর্ক, গোখলে, গান্ধী ও জিন্নাহর ব্রিটেনে অবস্থানকালে দাদাভাই নওরোজীর ভূমিকা, জওহারলাল নেহরু, প্যাটেল, আন্না হাজরে সহ অসংখ্য ভারতীয়র জীবনে গান্ধীর ভূমিকা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে শেখ মুজিবের সম্পর্ক এর মধ্যে কয়েকটা উদাহরণ মাত্র।

বিশ্ববিজেতা আলেক্সান্ডারের যুদ্ধনা্য়ক ছিলেন হোমারের একিলিস। এজন্য আলেক্সান্ডারের বিছানার পাশে ‘ইলিয়াদ’ মহাকাব্য সবসময়ই থাকতো। আবার ইউরোপের আরেক বিজেতা নেপোলিয়নের নায়কদের তালিকায় আছেন আলেক্সান্ডার, হানিবাল ও ভলতেয়ার। তরুণ বয়সে ভলতেয়ারের লেখা পড়ে লেখালেখি শুরু করেছিলেন। কিন্তু ফরাসী বিপ্লব এবং আলেক্সান্ডার ও হানিবালের প্রভাবই তার উপর শক্তিশালী থেকে যায়।

পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম অসংখ্য উদাহরণ নিয়ে আসা যাবে। আমরা যে সেক্টরেই কাজ করতে চাই না কেন আমাদের সে সেক্টরের হিরো বা রুলমডেল থাকা চাই। তবে হিরোদের অন্ধ অনুকরণ বা মোহগ্রস্ততা তেমন কিছু দিতে পারে না। তাদের জীবন ও অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের জীবনের ইউনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সাহস নেওয়া হতে পারে হিরো বা রুল মডেল নেওয়ার সবচেয়ে বড় প্রয়োজনীয়তা।

আপনি যাদেরকে হিরো মানেন, যাদের মতো হতে চান, যাদেরকে রুলমডেল মানেন আপনার যাত্রা কিন্তু সেদিকেই হবে। আপনার হিরো বা রুলমডেল আছে তো?

শেষ কথা:

জীবনের সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হচ্ছে নিজের জায়গা খুঁজে পাওয়া; নিজের মধ্যে কি আছে, কি করতে পারা যায় এই সিদ্ধান্তে আসা। এখানে নিয়ে আসতে বড় মানুষেরা আলোকবর্তিকার মতো কাজ করতে পারে। আবার এটাও মনে রাখতে হবে কারো ছায়ার নিচে পড়ে থাকলে নিজকে সম্পূর্ণ বিকশিত করা সম্ভব নাও হতে পারে। মহামানবদের কাছ থেকে আলো নিয়ে নিজের পথে নেমে পড়তে হবে। আজকের লেকচারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ‘to find your personal call and to run after it’.

 

পড়তে পারেন:

ম্যানেজিং ওয়ানসেল্ফ, পিটার এফ ড্রাকার

দ্য আর্ট অব ওয়ার, সান জু

তাও তে চিং, লাও জু

তাই লোপেজ ডট কম

 

Related Posts

About The Author

One Response

Add Comment